স্মৃতিসৌধে খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা : বিএনপি’র গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার
স্টাফ রিপোর্টার
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সংসদে বিরোধী দলের নেতা বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। গতকাল ভোরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে এবং পরে শেরেবাংলা নগরে শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দেন তিনি। তবে বিরোধী দলের নেতার শ্রদ্ধা নিবেদনের নির্ধারিত সময় ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ ফুল দিতে গেলে জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
বেগম খালেদা জিয়া যখন জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, তখন উভয় স্থানেই বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীর সমাগম হয়। মাজারে ফুল দেয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে যে মোনাজাত করা হয়, তাতেও অংশ নেন।
পরে দলের মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের কাছে বিজয়ের ৩৮তম বার্ষিকীতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, লাখো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময় এই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। স্বাধীনতার চেতনা আমরা মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে পারিনি। একটি সুখী-সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ যেন আমরা গড়ে তুলতে পারি—এটাই হোক আজকের শপথ।
জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এদেশের মানুষের মন থেকে জিয়ার নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। তার নাম মুছে ফেলার জন্য অতীতেও অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে, এখনও হচ্ছে। তবে তাতে কোনো লাভ হবে না।
মাজারে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আরএ গনি, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এমপি, এম. শামসুল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, বেগম সারোয়ারী রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ.স.ম. হান্নান শাহ, এম কে আনোয়ার, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, বরকতউল্লাহ বুলু এমপি, মোহাম্মদ শাহজাহান, রুহুল কবির রিজভী আহমদ, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি, আলহাজ সালাহউদ্দিন আহমেদ, ফজলুর রহমান পটল, অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু প্রমুখ।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে ছাত্রলীগের বিশৃঙ্খলা : বেগম খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদনের নির্ধারত সময় উপেক্ষা করে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন এগিয়ে গেলে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিশঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং বিরোধীদলীয় নেত্রী সুষ্ঠুভাবেই পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে বিএনপি। এ ব্যাপারে দলের নবনির্বাচিত সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় কোনো বাধা দেয়ার ঘটনা ঘটেনি। তবে যে সময়সূচি নির্ধারিত ছিল সেই সময় ছাত্রলীগ ফুল দিতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তিনি এ ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ আখ্যায়িত করে এর জন্য স্মৃতিসৌধের ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেন।
আজ বিজয় শোভাযাত্রা : তিনদিনের বিজয় দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বিকাল ৩টায় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বিজয় শোভাযাত্রা বের করবে বিএনপি। গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম ব্যুরো : ‘লাল সবুজের পতাকায় জিয়া তোমায় দেখা যায়’—এ স্লোগানে মুখরিত হয় বন্দর নগরী চট্টগ্রাম। গতকাল বিজয় দিবস উপলক্ষে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয় হতে বিকালে বের হয় এক বিরাট বর্ণাঢ্য মিছিল। মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে এক বিশাল মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলের নেতৃত্বে আরও ছিলেন ছাত্রদল সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, সাধারণ সম্পাদক আহমেদুল আলম রাসেল, যুবদল নেতা এমএ হান্নান, বিএনপি নেতা মোঃ মিয়া ভোলা, মোঃ শাহ আলম, মোঃ ইসমাইল, এমএ হালিম, ইকবাল চৌধুরী প্রমুখ।
মিছিলটি স্টেডিয়াম এলাকা থেকে জুবিলী রোড এলাকা পার হওয়ার সময় হঠাত্ করে ছাত্রলীগের একটি মিছিল থেকে কয়েকটি মোটরসাইকেল ও একটি ট্রাক জোরপূর্বক মিছিলে ঢুকে পড়লে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
বেগম খালেদা জিয়া যখন জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, তখন উভয় স্থানেই বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীর সমাগম হয়। মাজারে ফুল দেয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে যে মোনাজাত করা হয়, তাতেও অংশ নেন।
পরে দলের মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের কাছে বিজয়ের ৩৮তম বার্ষিকীতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, লাখো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময় এই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। স্বাধীনতার চেতনা আমরা মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে পারিনি। একটি সুখী-সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ যেন আমরা গড়ে তুলতে পারি—এটাই হোক আজকের শপথ।
জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এদেশের মানুষের মন থেকে জিয়ার নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। তার নাম মুছে ফেলার জন্য অতীতেও অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে, এখনও হচ্ছে। তবে তাতে কোনো লাভ হবে না।
মাজারে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আরএ গনি, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এমপি, এম. শামসুল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, বেগম সারোয়ারী রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ.স.ম. হান্নান শাহ, এম কে আনোয়ার, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, বরকতউল্লাহ বুলু এমপি, মোহাম্মদ শাহজাহান, রুহুল কবির রিজভী আহমদ, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি, আলহাজ সালাহউদ্দিন আহমেদ, ফজলুর রহমান পটল, অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু প্রমুখ।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে ছাত্রলীগের বিশৃঙ্খলা : বেগম খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদনের নির্ধারত সময় উপেক্ষা করে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন এগিয়ে গেলে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিশঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং বিরোধীদলীয় নেত্রী সুষ্ঠুভাবেই পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে বিএনপি। এ ব্যাপারে দলের নবনির্বাচিত সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় কোনো বাধা দেয়ার ঘটনা ঘটেনি। তবে যে সময়সূচি নির্ধারিত ছিল সেই সময় ছাত্রলীগ ফুল দিতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তিনি এ ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ আখ্যায়িত করে এর জন্য স্মৃতিসৌধের ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেন।
আজ বিজয় শোভাযাত্রা : তিনদিনের বিজয় দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বিকাল ৩টায় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বিজয় শোভাযাত্রা বের করবে বিএনপি। গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম ব্যুরো : ‘লাল সবুজের পতাকায় জিয়া তোমায় দেখা যায়’—এ স্লোগানে মুখরিত হয় বন্দর নগরী চট্টগ্রাম। গতকাল বিজয় দিবস উপলক্ষে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয় হতে বিকালে বের হয় এক বিরাট বর্ণাঢ্য মিছিল। মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে এক বিশাল মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলের নেতৃত্বে আরও ছিলেন ছাত্রদল সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, সাধারণ সম্পাদক আহমেদুল আলম রাসেল, যুবদল নেতা এমএ হান্নান, বিএনপি নেতা মোঃ মিয়া ভোলা, মোঃ শাহ আলম, মোঃ ইসমাইল, এমএ হালিম, ইকবাল চৌধুরী প্রমুখ।
মিছিলটি স্টেডিয়াম এলাকা থেকে জুবিলী রোড এলাকা পার হওয়ার সময় হঠাত্ করে ছাত্রলীগের একটি মিছিল থেকে কয়েকটি মোটরসাইকেল ও একটি ট্রাক জোরপূর্বক মিছিলে ঢুকে পড়লে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


