স্বাধীনতা জাতির ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ অর্জন : রাষ্ট্রপতি
স্টাফ রিপোর্টার
বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে গতকাল শিশু-কিশোর সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান সালাম গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা প্রশাসন স্ব-স্ব ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৬ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে পুরস্কার প্রদান করে। এদিকে বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি বিকালে বঙ্গভবনে সংবর্ধনার আয়োজন করেন। এতে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা জেলা প্রশাসক জিল্লার রহমানের সভাপতিত্বে গতকাল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আয়োজিত শিশু-কিশোর সমাবেশে যোগ দিয়ে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। তিনি খোলা পাজেরোতে দাঁড়িয়ে ঘুরে ঘুরে স্টেডিয়ামে সবার সালাম নেন। এসময় তিনি হাত উঁচিয়ে দর্শকদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
সমাবেশে দেয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতা বাঙালির ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ অর্জন। যা এদেশের গণমানুষের সুদূরপ্রসারী ও ব্যাপক পরিবর্তনের সূচনা করে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও চিন্তায় স্বাধীনতার পাশাপাশি এর মধ্য দিয়ে জাতীয় জীবনে নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছে। বাংলাদেশ আজ গণতন্ত্রের পথে অগ্রসরমাণ একটি অপার সম্ভাবনার দেশ। এ বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধ দেশ গঠনে আমাদের নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা জেলা প্রশাসন এবছর প্রথমবারের মতো ‘বিজয় দিবস পদক’ চালু করেছে। জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য যাদের বিজয় দিবস পদক প্রদান করা হয়, তারা হলেন—সংস্কৃতিতে সন্জীদা খাতুন, বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তিতে মুহম্মদ জাফর ইকবাল, শিক্ষায় আআমস আরেফিন সিদ্দিক, সাংবাদিকতায় আবেদ খান, জনপ্রশাসনে মোঃ আবদুল মোবারক ও ক্রীড়ায় সাকিব আল হাসান।
এদিকে বিজয় দিবস উপলক্ষে বিকালে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের ভেতরে উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ নর্থ প্লাজায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এতে রাষ্ট্রপতি প্রথমে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন। এরপর পর্যায়ক্রমে অতিথিরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এসময় রাষ্ট্রপতির সচিব, সামরিক সচিব ও তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সিনিয়র সদস্য রওশন এরশাদ, সিপিবি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন। তিন বাহিনী প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারাও এতে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের গান ও অন্যান্য দেশাত্মবোধক সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।
ঢাকা জেলা প্রশাসক জিল্লার রহমানের সভাপতিত্বে গতকাল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আয়োজিত শিশু-কিশোর সমাবেশে যোগ দিয়ে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। তিনি খোলা পাজেরোতে দাঁড়িয়ে ঘুরে ঘুরে স্টেডিয়ামে সবার সালাম নেন। এসময় তিনি হাত উঁচিয়ে দর্শকদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
সমাবেশে দেয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতা বাঙালির ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ অর্জন। যা এদেশের গণমানুষের সুদূরপ্রসারী ও ব্যাপক পরিবর্তনের সূচনা করে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও চিন্তায় স্বাধীনতার পাশাপাশি এর মধ্য দিয়ে জাতীয় জীবনে নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছে। বাংলাদেশ আজ গণতন্ত্রের পথে অগ্রসরমাণ একটি অপার সম্ভাবনার দেশ। এ বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধ দেশ গঠনে আমাদের নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা জেলা প্রশাসন এবছর প্রথমবারের মতো ‘বিজয় দিবস পদক’ চালু করেছে। জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য যাদের বিজয় দিবস পদক প্রদান করা হয়, তারা হলেন—সংস্কৃতিতে সন্জীদা খাতুন, বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তিতে মুহম্মদ জাফর ইকবাল, শিক্ষায় আআমস আরেফিন সিদ্দিক, সাংবাদিকতায় আবেদ খান, জনপ্রশাসনে মোঃ আবদুল মোবারক ও ক্রীড়ায় সাকিব আল হাসান।
এদিকে বিজয় দিবস উপলক্ষে বিকালে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের ভেতরে উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ নর্থ প্লাজায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এতে রাষ্ট্রপতি প্রথমে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন। এরপর পর্যায়ক্রমে অতিথিরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এসময় রাষ্ট্রপতির সচিব, সামরিক সচিব ও তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সিনিয়র সদস্য রওশন এরশাদ, সিপিবি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন। তিন বাহিনী প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারাও এতে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের গান ও অন্যান্য দেশাত্মবোধক সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


