ফার্গুসনের ৯শ’তম ম্যাচে রুনিদের উপহার
স্পোর্টস ডেস্ক
স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের জন্য ছিল এটি অন্যরকম এক ম্যাচ। প্রায় দু’দশক ধরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই ম্যানেজার গত পরশু উদযাপন করলেন তার ৯শ’তম লীগ ম্যাচ। এমন ম্যাচে ফার্গুসনকে হতাশ করেননি ওয়েন রুনিরা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচে উলভারহ্যাম্পটনকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ম্যানইউ। নিজেদের মাঠে এই জয় দিয়ে চেলসিকে ছুঁয়ে ফেলেছে রেড ডেভিলরা। মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৬ ম্যাচ খেলে চেলসির পয়েন্ট ৩৭। সমানসংখ্যক পয়েন্ট ম্যানইউর। তবে একটি ম্যাচ বেশি খেলেছে তারা। প্রিমিয়ার লীগের পরশুর অন্য ম্যাচে বার্মিংহ্যাম ২-১ গোলে হারিয়েছে ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সকে। ৩-১ গোলে ওয়েস্টহ্যাম হারিয়েছে বল্টনকে। স্যান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে এমিল হাস্কি এবং মিলনেরের গোলে (২-১) জিতেছে অ্যাস্টন ভিলা। তারা উঠে এসেছে পয়েন্ট তালিকার তৃতীয় স্থানে। আর্সেনাল রয়েছে এরপরই।
প্রতিপক্ষ যেমনই হোক, পরশুর ম্যাচটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। কেননা, হারলে প্রিমিয়ার লীগের পয়েন্ট তালিকায় অনেকটা এগিয়ে যেত চেলসি। কিন্তু এ পর্যায়ে এসে ভুল করেনি রেড ডেভিলরা। অনায়াসে জিতে ছুঁয়ে ফেলেছে চেলসিকে। যদিও অল ব্লুজদের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলেছে তারা। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে নিজেদের মাঠে প্রথম গোলটি পেতে অবশ্য তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ৩০ মিনিট। পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ওয়েন রুনি। প্রথমার্ধের বিরতির আগেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নেমেয়া ভিডিচ। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধানটা আরও বাড়িয়ে দেন ইনফর্ম অ্যান্তোনিও ভ্যালেন্সিয়া। ম্যানইউ পেয়ে যায় আরও একটি সহজ জয়।
এমন জয়ের পর উচ্ছ্বসিত ফার্গুসন বলছিলেন, ‘বিশ্বাস করুন, বেশ টেনশনে ছিলাম। ওরা ভয়ঙ্কর প্রতিপক্ষ। কিন্তু ভালো লাগছে ছেলেরা ওদের কোনো সুযোগই দেয়নি। এখন যে পরিস্থিতি, তাতে পেছন ফিরে দেখার সুযোগ নেই। এভাবেই এগিয়ে যেতে চাই।’ এখানেই থামলেন না এই স্কটিশ। ম্যানইউর হয়ে ৯শ’তম লীগ ম্যাচের মাইলস্টোন ছোঁয়া প্রসঙ্গে বলছিলেন, ‘ম্যানইউ আমার প্রাণের ক্লাব। অনেকেই বলে আমি ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে নাকি দীর্ঘদিন ধরে আছি। কিন্তু আমার মনে হয় যেন কিছুদিন আগে এখানে এলাম। আসলে এমন কিছু মাইলফলক জানিয়ে দেয় সত্যিই ম্যানইউর সঙ্গে আমার সম্পর্কের বয়স অনেক হয়েছে।’ এভাবে কখন সে সম্পর্কের ইতি টানবেন, সে প্রসঙ্গটা এবারও এড়িয়ে গেলেন ফার্গুসন, ‘এটা আসলে সময়ই বলে দেবে কখন আমি কোচিং ছেড়ে দেব। তবে এটা জানিয়ে রাখতে চাই, এখানে প্রতিটি মুহূর্ত বেশ উপভোগ করছি। যতদিন এই মেজাজ ধরে রাখতে পারব, ততদিন থাকব।’
প্রতিপক্ষ যেমনই হোক, পরশুর ম্যাচটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। কেননা, হারলে প্রিমিয়ার লীগের পয়েন্ট তালিকায় অনেকটা এগিয়ে যেত চেলসি। কিন্তু এ পর্যায়ে এসে ভুল করেনি রেড ডেভিলরা। অনায়াসে জিতে ছুঁয়ে ফেলেছে চেলসিকে। যদিও অল ব্লুজদের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলেছে তারা। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে নিজেদের মাঠে প্রথম গোলটি পেতে অবশ্য তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ৩০ মিনিট। পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ওয়েন রুনি। প্রথমার্ধের বিরতির আগেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নেমেয়া ভিডিচ। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধানটা আরও বাড়িয়ে দেন ইনফর্ম অ্যান্তোনিও ভ্যালেন্সিয়া। ম্যানইউ পেয়ে যায় আরও একটি সহজ জয়।
এমন জয়ের পর উচ্ছ্বসিত ফার্গুসন বলছিলেন, ‘বিশ্বাস করুন, বেশ টেনশনে ছিলাম। ওরা ভয়ঙ্কর প্রতিপক্ষ। কিন্তু ভালো লাগছে ছেলেরা ওদের কোনো সুযোগই দেয়নি। এখন যে পরিস্থিতি, তাতে পেছন ফিরে দেখার সুযোগ নেই। এভাবেই এগিয়ে যেতে চাই।’ এখানেই থামলেন না এই স্কটিশ। ম্যানইউর হয়ে ৯শ’তম লীগ ম্যাচের মাইলস্টোন ছোঁয়া প্রসঙ্গে বলছিলেন, ‘ম্যানইউ আমার প্রাণের ক্লাব। অনেকেই বলে আমি ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে নাকি দীর্ঘদিন ধরে আছি। কিন্তু আমার মনে হয় যেন কিছুদিন আগে এখানে এলাম। আসলে এমন কিছু মাইলফলক জানিয়ে দেয় সত্যিই ম্যানইউর সঙ্গে আমার সম্পর্কের বয়স অনেক হয়েছে।’ এভাবে কখন সে সম্পর্কের ইতি টানবেন, সে প্রসঙ্গটা এবারও এড়িয়ে গেলেন ফার্গুসন, ‘এটা আসলে সময়ই বলে দেবে কখন আমি কোচিং ছেড়ে দেব। তবে এটা জানিয়ে রাখতে চাই, এখানে প্রতিটি মুহূর্ত বেশ উপভোগ করছি। যতদিন এই মেজাজ ধরে রাখতে পারব, ততদিন থাকব।’
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


