পন্টিং হাসপাতালে, ক্যাটিচের সেঞ্চুরি মিস
স্পোর্টস ডেস্ক
সেঞ্চুরি মিস করেছেন সাইমন ক্যাটিচ এবং শেন ওয়াটসন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেসার কেমার রোচের বলে হাতে চোট পেয়ে অধিনায়ক রিকি পন্টিং অবসর নিয়েছেন। তারপরও গতকাল পার্থ টেস্টের প্রথম দিনটি অস্ট্রেলিয়ার। কারণ, দিনশেষে ৩ উইকেটে ৩৩৯ রানের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে স্বাগতিকরা। ক্রিজে রয়েছেন মাইক হাসি ৮১ এবং মার্কাস নর্থ ২৩ রান নিয়ে।
টসে জিতে ব্যাটিং নেয়া অস্ট্রেলিয়ার শুরুটাই ছিল ভালো। ওয়াটসনের হাফ সেঞ্চুরিতে মধ্যাহ্ন বিরতি পর্যন্ত বিনা উইকেটে ১০৬ রান করেছিল অজিরা। ওয়াটসন ৬৯ এবং ক্যাটিচ ৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। মধ্যাহ্ন বিরতির পর পরই মেরে খেলতে থাকা শেন ওয়াটসনকে (৮৯) উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে দিনের প্রথম সাফল্যটি তুলে নেন কেমার রোচ। এরপর রোচ গতি দিয়ে ক্রিজে নতুন আসা অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক রিকি পন্টিংকে নাজেহাল করতে থাকেন। জমে ওঠে পন্টিং-রোচ লড়াই। রোচের ১৪৬ কি.মি. বেগের একটি বল পন্টিংয়ের বাঁ কনুইয়ে আঘাত হানলে অজি অধিনায়ক শুশ্রূষা নিতে বাধ্য হন। পরে আরেকটি বল তার পেটে লাগে। তারপরও পন্টিং খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ব্রাভোর একটি বল ফের তাকে আঘাত হানলে পন্টিং খেলা থেকে অবসর নিয়ে এক্সরে করানোর জন্য হাসপাতালে ছোটেন। পরে জানা গেছে হাড়ে চিড় ধরেনি তার। দরকার হলে ফের ব্যাট করতে নামবেন। তবে অদ্ভুত কাণ্ড হলো, সারাদিনে রোচকে মাত্র ১৩ ওভার বোলিং করিয়েছেন উইন্ডিজ অধিনায়ক ক্রিস গেইল। এমনকি পন্টিং মাঠ ছেড়ে চলে গেলে রোচকে দিয়ে এরপর আর বোলিং করাননি গেইল। অথচ ওই স্পেলে তার বলে তখন আগুন ঝরছিল।
তার বদলে দুই স্পিনার সুলেমান বেন এবং নরসিংহ দিওনারইনকে দিয়েই অধিকাংশ সময় বল করিয়েছেন উইন্ডিজ অধিনায়ক। ১ উইকেট হারিয়ে ২১৭ রান করে চা বিরতিতে যায় অস্ট্রেলিয়া। তখন ক্যাটিচ ৭৬ এবং হাসি ২১ রানে ব্যাট করছিলেন। চা বিরতির পর অবশ্য দুই স্পিনারই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুটি উইকেট এনে দেন। একের জন্য একশ’ নষ্ট করেছেন ক্যাটিচ। তার টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো আউট ৯৯ রানে। বেনের বলে সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন রোচের হাতে। সহ-অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক শুরু থেকেই তেমন স্বাচ্ছন্দ্য ছিলেন না। অফস্পিনার দিওনারাইনকে স্টেপ আউট করে সপাটে মারতে গিয়ে মিডঅনে ক্যাচ দেন গেইলের হাতে। তারপর অবশ্য দিনের শেষ পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন ৬২ রানের জুটি গড়ে সাজঘরে ফেরেন হাসি এবং নর্থ। এ ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্ট অভিষেক হয় পেসার ক্লিন্ট ম্যাককের। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট জিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় টেস্টটি ড্র হয়। তাই স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল ট্রফি ধরে রেখেছে অজিরাই।
‘ভিভ-শচীনের সঙ্গে আমার তুলনা করবেন না’
ম্যাচে রান উঠেছে ৮২৫। তাতে শেবাগ ১৪৬ করে দলকে জিতিয়ে ম্যাচসেরা। তাই বিফলে গেছে দিলশানের ১৬০। তারপরও ম্যাচ শেষে দিলশানের জন্য সমবেদনাই জানালেন বড় মাপের মানুষ শেবাগ।
এ ম্যাচের ইনিংসটাকে কোথায় রাখবেন?
আমার ক্যারিয়ারের সেরা ওয়ানডে ইনিংসগুলোর একটা। ২০০৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে করা ১৩০ রানের ইনিংসটাও এর পেছনে থাকবে। এত ক্লোজ ম্যাচ জিতলাম বলে আরও বেশি করে মনে থাকবে।
হাঁটুর ব্যথার কি অবস্থা?
হাঁটুতে সামান্য ইনজুরি আছে। কিছুটা ফুলেও আছে। ফিজিও খুব ভালো ট্রিটমেন্ট করছেন।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নাগপুরে খেলতে পারবেন?
আশা তো করছি পারব। কারণ, হাসপাতালে যেতে হচ্ছে না। নিজের পায়ে দিব্যি চলাফেরা করতে পারছি।
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ব্রেবোর্ন টেস্টে করেছিলেন ২৯১ রান। এবার প্রথম ওয়ানডেতে করলেন ১৪৬।
জীবনের সেরা ফর্মে রয়েছেন কী?
অন্যতম সেরা ফর্মে বলা যেতে পারে। আমার সেরাটা এখনও আসতে বাকি।
৪১৪ রান করার পরও ভাবতে পেরেছিলেন ম্যাচ এতটা কঠিন হবে?
ব্যাট করার সময়েই বুঝেছিলাম এই পিচে রান আছে। ওরাও রান তুলবে। তবে এত ক্লোজ হয়ে যাবে ভাবিনি।
ভিভ রিচার্ডসের সঙ্গে আপনার তুলনা হচ্ছে। তুলনা হচ্ছে শচীনের সঙ্গে। আপনি নিজে কি বলেন?
দয়া করে ওদের সঙ্গে আমার তুলনা করবেন না। যারা টানছেন তাদের মহানুভবতায় আমি কৃতজ্ঞ। ভিভ-শচীন গ্রেট ক্রিকেটার। ওদের ধারে-কাছেও আমি আসতে পারব না। আমি ওদের তুলনায় নিতান্তই সাধারণ এক ক্রিকেটার।
কখন মনে হয়েছিল ম্যাচটা আপনার জিতবেন?
শেষ ওভারে গিয়ে। আসলে শেষ দুই ওভারে অভিজ্ঞতার সবটা দিয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেছে জহির ও নেহরা।
ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট কোনটি?
দিলশান এবং সাঙ্গাকারার উইকেট দুটি। না হলে ওই সময় ওরা যেভাবে ব্যাটিং করছিল, আর কিছুক্ষণ থাকলে ম্যাচ রাখা মুশকিল হতো।
দিলশানের ইনিংসটা নিয়ে কি বলবেন?
গ্রেট। পিচটা ব্যাটিংয়ের জন্য খুব ভালো ছিল এটা মানছি। কিন্তু তা হলেও এতবড় রান তাড়া করতে নেমে ১৬০ দুর্দান্ত ইনিংস হিসেবেই থেকে যাবে। আমি যখন ব্যাট করছিলাম, তখন দিলশান নিশ্চয়ই দেখে নিয়েছিল এই পিচে নিজের মতো করে ব্যাটিং করা যাবে। নিশ্চয়ই নিজের মনে মনে বলেছে, শেবাগ রান করে যাচ্ছে, আমিও পারব।
ওয়ানডেতে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি মাঠে ফেলে এলেন বলে মনে হচ্ছে কি?
মোটেই না। আমি মোটেও রেকর্ড তাড়া করি না। আমার বরং মনে হচ্ছিল দিলশান ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ডটা হাতছাড়া করল। আর খানিকক্ষণ থাকলে ডাবল সেঞ্চুরি হয়েও যেতে পারত। এটা এমন একটা উইকেট, যে কেউ ৩৫ ওভার কেউ ব্যাট করলেই ডাবল সেঞ্চুরি করে ফেলতে পারবে।
ভারতের ফিল্ডিংয়ের এত অবনতি হলো কেন? ক্যাচ পড়ছে, মিস ফিল্ডিংয়ে চার হচ্ছে...
আমরা সবাই এটা নিয়ে খাটছি। চেষ্টা করছি সবাই উন্নতি করার। একটা খারাপ সময় তো যেতেই পারে। নিশ্চয়ই কেটে যাবে।
টসে জিতে ব্যাটিং নেয়া অস্ট্রেলিয়ার শুরুটাই ছিল ভালো। ওয়াটসনের হাফ সেঞ্চুরিতে মধ্যাহ্ন বিরতি পর্যন্ত বিনা উইকেটে ১০৬ রান করেছিল অজিরা। ওয়াটসন ৬৯ এবং ক্যাটিচ ৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। মধ্যাহ্ন বিরতির পর পরই মেরে খেলতে থাকা শেন ওয়াটসনকে (৮৯) উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে দিনের প্রথম সাফল্যটি তুলে নেন কেমার রোচ। এরপর রোচ গতি দিয়ে ক্রিজে নতুন আসা অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক রিকি পন্টিংকে নাজেহাল করতে থাকেন। জমে ওঠে পন্টিং-রোচ লড়াই। রোচের ১৪৬ কি.মি. বেগের একটি বল পন্টিংয়ের বাঁ কনুইয়ে আঘাত হানলে অজি অধিনায়ক শুশ্রূষা নিতে বাধ্য হন। পরে আরেকটি বল তার পেটে লাগে। তারপরও পন্টিং খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ব্রাভোর একটি বল ফের তাকে আঘাত হানলে পন্টিং খেলা থেকে অবসর নিয়ে এক্সরে করানোর জন্য হাসপাতালে ছোটেন। পরে জানা গেছে হাড়ে চিড় ধরেনি তার। দরকার হলে ফের ব্যাট করতে নামবেন। তবে অদ্ভুত কাণ্ড হলো, সারাদিনে রোচকে মাত্র ১৩ ওভার বোলিং করিয়েছেন উইন্ডিজ অধিনায়ক ক্রিস গেইল। এমনকি পন্টিং মাঠ ছেড়ে চলে গেলে রোচকে দিয়ে এরপর আর বোলিং করাননি গেইল। অথচ ওই স্পেলে তার বলে তখন আগুন ঝরছিল।
তার বদলে দুই স্পিনার সুলেমান বেন এবং নরসিংহ দিওনারইনকে দিয়েই অধিকাংশ সময় বল করিয়েছেন উইন্ডিজ অধিনায়ক। ১ উইকেট হারিয়ে ২১৭ রান করে চা বিরতিতে যায় অস্ট্রেলিয়া। তখন ক্যাটিচ ৭৬ এবং হাসি ২১ রানে ব্যাট করছিলেন। চা বিরতির পর অবশ্য দুই স্পিনারই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুটি উইকেট এনে দেন। একের জন্য একশ’ নষ্ট করেছেন ক্যাটিচ। তার টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো আউট ৯৯ রানে। বেনের বলে সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন রোচের হাতে। সহ-অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক শুরু থেকেই তেমন স্বাচ্ছন্দ্য ছিলেন না। অফস্পিনার দিওনারাইনকে স্টেপ আউট করে সপাটে মারতে গিয়ে মিডঅনে ক্যাচ দেন গেইলের হাতে। তারপর অবশ্য দিনের শেষ পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন ৬২ রানের জুটি গড়ে সাজঘরে ফেরেন হাসি এবং নর্থ। এ ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্ট অভিষেক হয় পেসার ক্লিন্ট ম্যাককের। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট জিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় টেস্টটি ড্র হয়। তাই স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল ট্রফি ধরে রেখেছে অজিরাই।
‘ভিভ-শচীনের সঙ্গে আমার তুলনা করবেন না’
ম্যাচে রান উঠেছে ৮২৫। তাতে শেবাগ ১৪৬ করে দলকে জিতিয়ে ম্যাচসেরা। তাই বিফলে গেছে দিলশানের ১৬০। তারপরও ম্যাচ শেষে দিলশানের জন্য সমবেদনাই জানালেন বড় মাপের মানুষ শেবাগ।
এ ম্যাচের ইনিংসটাকে কোথায় রাখবেন?
আমার ক্যারিয়ারের সেরা ওয়ানডে ইনিংসগুলোর একটা। ২০০৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে করা ১৩০ রানের ইনিংসটাও এর পেছনে থাকবে। এত ক্লোজ ম্যাচ জিতলাম বলে আরও বেশি করে মনে থাকবে।
হাঁটুর ব্যথার কি অবস্থা?
হাঁটুতে সামান্য ইনজুরি আছে। কিছুটা ফুলেও আছে। ফিজিও খুব ভালো ট্রিটমেন্ট করছেন।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নাগপুরে খেলতে পারবেন?
আশা তো করছি পারব। কারণ, হাসপাতালে যেতে হচ্ছে না। নিজের পায়ে দিব্যি চলাফেরা করতে পারছি।
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ব্রেবোর্ন টেস্টে করেছিলেন ২৯১ রান। এবার প্রথম ওয়ানডেতে করলেন ১৪৬।
জীবনের সেরা ফর্মে রয়েছেন কী?
অন্যতম সেরা ফর্মে বলা যেতে পারে। আমার সেরাটা এখনও আসতে বাকি।
৪১৪ রান করার পরও ভাবতে পেরেছিলেন ম্যাচ এতটা কঠিন হবে?
ব্যাট করার সময়েই বুঝেছিলাম এই পিচে রান আছে। ওরাও রান তুলবে। তবে এত ক্লোজ হয়ে যাবে ভাবিনি।
ভিভ রিচার্ডসের সঙ্গে আপনার তুলনা হচ্ছে। তুলনা হচ্ছে শচীনের সঙ্গে। আপনি নিজে কি বলেন?
দয়া করে ওদের সঙ্গে আমার তুলনা করবেন না। যারা টানছেন তাদের মহানুভবতায় আমি কৃতজ্ঞ। ভিভ-শচীন গ্রেট ক্রিকেটার। ওদের ধারে-কাছেও আমি আসতে পারব না। আমি ওদের তুলনায় নিতান্তই সাধারণ এক ক্রিকেটার।
কখন মনে হয়েছিল ম্যাচটা আপনার জিতবেন?
শেষ ওভারে গিয়ে। আসলে শেষ দুই ওভারে অভিজ্ঞতার সবটা দিয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেছে জহির ও নেহরা।
ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট কোনটি?
দিলশান এবং সাঙ্গাকারার উইকেট দুটি। না হলে ওই সময় ওরা যেভাবে ব্যাটিং করছিল, আর কিছুক্ষণ থাকলে ম্যাচ রাখা মুশকিল হতো।
দিলশানের ইনিংসটা নিয়ে কি বলবেন?
গ্রেট। পিচটা ব্যাটিংয়ের জন্য খুব ভালো ছিল এটা মানছি। কিন্তু তা হলেও এতবড় রান তাড়া করতে নেমে ১৬০ দুর্দান্ত ইনিংস হিসেবেই থেকে যাবে। আমি যখন ব্যাট করছিলাম, তখন দিলশান নিশ্চয়ই দেখে নিয়েছিল এই পিচে নিজের মতো করে ব্যাটিং করা যাবে। নিশ্চয়ই নিজের মনে মনে বলেছে, শেবাগ রান করে যাচ্ছে, আমিও পারব।
ওয়ানডেতে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি মাঠে ফেলে এলেন বলে মনে হচ্ছে কি?
মোটেই না। আমি মোটেও রেকর্ড তাড়া করি না। আমার বরং মনে হচ্ছিল দিলশান ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ডটা হাতছাড়া করল। আর খানিকক্ষণ থাকলে ডাবল সেঞ্চুরি হয়েও যেতে পারত। এটা এমন একটা উইকেট, যে কেউ ৩৫ ওভার কেউ ব্যাট করলেই ডাবল সেঞ্চুরি করে ফেলতে পারবে।
ভারতের ফিল্ডিংয়ের এত অবনতি হলো কেন? ক্যাচ পড়ছে, মিস ফিল্ডিংয়ে চার হচ্ছে...
আমরা সবাই এটা নিয়ে খাটছি। চেষ্টা করছি সবাই উন্নতি করার। একটা খারাপ সময় তো যেতেই পারে। নিশ্চয়ই কেটে যাবে।
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


