সুবিধাবঞ্চিতদের শিক্ষায় ফ্রেড হাইডকে ২৮ লাখ টাকা দিলেন লুিফ সিদ্দিকী
স্টাফ রিপোর্টার
চরাঞ্চলে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়ার ব্রত নিয়ে কাজ করে চলা নিভৃতচারী ফ্রেড হাইডের হাতে ২৮ লাখ টাকা তুলে দিলেন বাংলাদেশের অনাবাসী তরুণ লুিফ সিদ্দিকী। গত ১৩ ডিসেম্বর ঢাকার অষ্ট্রেলিয়া হাইকমিশন রিক্রিয়েশন ক্লাবে লুিফ সিদ্দিকী ফ্রেইড হাইডের হাতে এই অর্থের চেক তুলে দেন।
দুই দশক ধরে ভোলার চরফ্যাশন এলাকার প্রত্যন্ত গ্রামে হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে শিক্ষার আলো জ্বেলে চলেছেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ফ্রেড হাইড। ৯০ বছরের এই বৃদ্ধ চটপটে এক তরুণের মতোই নিয়মিত ছুটে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত চর এলাকায়। এরই মধ্যে তার হাতে গড়া ৪১টি বিদ্যালয়ে এ পর্যন্ত ৫০ হাজার শিশু পড়াশোনা করছে। জনসেবায় ফ্রেডের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে অস্ট্রেলিয়া সরকার সম্প্রতি তাকে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ সম্মান ‘অর্ডার অব দ্য অস্ট্রেলিয়া’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে।
ফ্রেডের উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে তার প্রয়াসে সঙ্গী হয়েছেন সিঙ্গাপুরে প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যাংকার লুিফ সিদ্দিকী। বার্কলেস ব্যাংক সিঙ্গাপুরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লুিফ চাকরির ফাঁকে শিক্ষকতা থেকে অর্জিত আয় ও তার প্রতিষ্ঠানের দেয়া ২৮ লাখ টাকা তুলে দিয়েছেন চরফ্যাশনের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার প্রসারে। গত রোববার অস্ট্রেলীয় ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বার্কলেস ব্যাংক ও রেহানা সিদ্দিকী ফান্ডের ওই অর্থ ফ্রেড হাইডের হাতে তুলে দেয়া হয়।
এ প্রসঙ্গে ফ্রেড হাইড জানান, আশির দশকে আশ্রমের কাজে যুক্ত হতে প্রথম তিনি ভোলায় আসেন। এরপর থেকেই তিনি নিয়মিত বাংলাদেশে আসা-যাওয়া করতেন। একসময় তিনি নদীভাঙনে বাস্তুচ্যুত মানুষের অন্যান্য মৌলিক অধিকারের পাশাপাশি শিক্ষার সুযোগের বিষয়টি নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। ফলে তিনি ১৯৯১ সালে অস্ট্রেলিয়ায় কো-ইড (কো-অপারেশন ইন ডেভেলপমেন্ট) নামের দাতব্য প্রতিষ্ঠান চালু করে চরফ্যাশনে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। মূলত ফ্রেড তার কিছু বন্ধু ও স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে শুরু করেন প্রতিষ্ঠানের কাজ। অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের নাগরিকদের ব্যক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে চরফ্যাশনের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। দুই দশক ধরে তার শিক্ষা প্রসারের ক্ষেত্রে স্থানীয় লোকজনের সহায়তা তাকে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানান ফ্রেড। অষ্ট্রেলীয় ক্লাবে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে ফ্রেডের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন রেহানা সিদ্দিকী ফান্ডের প্রধান রেহানা সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকায় অষ্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জাস্টিন লি এবং সাবেক সচিব ও ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ এওয়াইবিআই সিদ্দিকী।
দুই দশক ধরে ভোলার চরফ্যাশন এলাকার প্রত্যন্ত গ্রামে হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে শিক্ষার আলো জ্বেলে চলেছেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ফ্রেড হাইড। ৯০ বছরের এই বৃদ্ধ চটপটে এক তরুণের মতোই নিয়মিত ছুটে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত চর এলাকায়। এরই মধ্যে তার হাতে গড়া ৪১টি বিদ্যালয়ে এ পর্যন্ত ৫০ হাজার শিশু পড়াশোনা করছে। জনসেবায় ফ্রেডের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে অস্ট্রেলিয়া সরকার সম্প্রতি তাকে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ সম্মান ‘অর্ডার অব দ্য অস্ট্রেলিয়া’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে।
ফ্রেডের উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে তার প্রয়াসে সঙ্গী হয়েছেন সিঙ্গাপুরে প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যাংকার লুিফ সিদ্দিকী। বার্কলেস ব্যাংক সিঙ্গাপুরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লুিফ চাকরির ফাঁকে শিক্ষকতা থেকে অর্জিত আয় ও তার প্রতিষ্ঠানের দেয়া ২৮ লাখ টাকা তুলে দিয়েছেন চরফ্যাশনের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার প্রসারে। গত রোববার অস্ট্রেলীয় ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বার্কলেস ব্যাংক ও রেহানা সিদ্দিকী ফান্ডের ওই অর্থ ফ্রেড হাইডের হাতে তুলে দেয়া হয়।
এ প্রসঙ্গে ফ্রেড হাইড জানান, আশির দশকে আশ্রমের কাজে যুক্ত হতে প্রথম তিনি ভোলায় আসেন। এরপর থেকেই তিনি নিয়মিত বাংলাদেশে আসা-যাওয়া করতেন। একসময় তিনি নদীভাঙনে বাস্তুচ্যুত মানুষের অন্যান্য মৌলিক অধিকারের পাশাপাশি শিক্ষার সুযোগের বিষয়টি নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। ফলে তিনি ১৯৯১ সালে অস্ট্রেলিয়ায় কো-ইড (কো-অপারেশন ইন ডেভেলপমেন্ট) নামের দাতব্য প্রতিষ্ঠান চালু করে চরফ্যাশনে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। মূলত ফ্রেড তার কিছু বন্ধু ও স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে শুরু করেন প্রতিষ্ঠানের কাজ। অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের নাগরিকদের ব্যক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে চরফ্যাশনের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। দুই দশক ধরে তার শিক্ষা প্রসারের ক্ষেত্রে স্থানীয় লোকজনের সহায়তা তাকে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানান ফ্রেড। অষ্ট্রেলীয় ক্লাবে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে ফ্রেডের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন রেহানা সিদ্দিকী ফান্ডের প্রধান রেহানা সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকায় অষ্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জাস্টিন লি এবং সাবেক সচিব ও ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ এওয়াইবিআই সিদ্দিকী।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


