ঢাবিতে বইছে শিক্ষক নেতা নির্বাচনের হাওয়া : সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে শিক্ষকদের সংশয়
আসাদুজ্জামান সাগর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন জোরেশোরে বইছে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনী হাওয়া। ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শিক্ষক নেতা নির্ধারণের এ নির্বাচন। জাতীয়তাবাদী সমর্থিত সাদা এবং আওয়ামী-বাম সমর্থিত শিক্ষকরা নীল প্যানেলে আলাদা এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। পূর্ন প্যানেল জয়লাভ করতে উভয় দলের সম্ভাব্য প্রার্থী ও শিক্ষকরা নানা কৌশলে গণসংযোগে ব্যস্ত রয়েছেন। চলছে স্নায়ু লড়াই। নিজস্ব দলীয় ফোরামের আলোচনায় আসছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম। তবে এরই মধ্যে নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা হলেও এখনও তারা প্যানেল ঘোষণা করেননি। সংশ্লিষ্টরা জানান, এজন্য অপেক্ষা করতে হবে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ১৯ ডিসেম্বর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন। ২১ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ও বাছাইয়ের শেষদিন।
এদিকে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কিনা, এ নিয়ে সংশয় রয়েছে শিক্ষকদের মধ্যে। দু্রত ভোট গ্রহণ ও গণনা, ভুল-ভ্রান্তি এড়াতে ওএমআর পদ্ধতি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা। গত মঙ্গলবার শিক্ষক সমিতির কাছে ৬০ শিক্ষক তাদের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ দাবি জানান। সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কিনা, এ নিয়ে আশঙ্কা করছেন। এর কারণ হিসেবে তিনি অভিযোগ করেন, গত সিনেট নির্বাচনে ভোটারদের প্রভাবিত ও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। একটি ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করেছে। এ নির্বাচনকেও একটি মহল প্রভাবিত করার যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সাদা দল পূর্ণ প্যানেল জয়ী হবে।
৫টি কার্যকরী পরিষদ ও ১০টি সদস্যসহ মোট ১৫টি পদে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাই সাদা ও নীল উভয় দলই পূর্ণ প্যানেলের জয় তুলতে ক্লিন ইমেজ ও যোগ্যতার দিকগুলো বিবেচনা করছে। এজন্য সাদা ও নীল দলের নীতিনির্ধারকরা বার বার বৈঠক করেছেন। তবে কোনো দল এখনও প্যানেল চূড়ান্ত না করলেও সম্ভাব্যদের নাম আলোচনায় আসছে। সাদা প্যানেল থেকে সভাপতি পদে প্রার্থী হতে পারেন শিক্ষক সমিতির বার বার নির্বাচিত সাবেক সভাপতি ও কলা অনুষদের বর্তমান ডিন অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন, শিক্ষক সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি তাজমেরী এসএ ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এসআই খান ও বাণিজ্য অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলামের নাম শোনা যাচ্ছে। এদের মধ্যে অধ্যাপক সদরুল আমিন ও অধ্যাপক তাজমেরী ইসলাম এগিয়ে রয়েছেন। আর শিক্ষক সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম এবারও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন। সহ-সভাপতি পদে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবুল বাশার, সাবেক ডিন ও প্রাণরসায়ন বিভাগের অধ্যাপক সালেহীন কাদরী ছাড়াও নতুন মুখও আসতে পারেন। যুগ্ম সস্পাদক পদে বর্তমান যুগ্ম সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক লুত্ফুর রহমান ও ফার্মেসি অনুষদের আবুল হাসনাতের নাম শোনা যাচ্ছে। কোষাধ্যক্ষ পদে ফিন্যান্স বিভাগের ড. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ও অধ্যাপক আলী আহসানের নাম শোনা যাচ্ছে। সদস্য পদে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফেরদৌস হোসেন, আইবিএ’র অধ্যাপক জিএম চৌধুরী, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক এসআই খান, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শাহজাহান মিয়ার নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়া সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে যারা দলীয় মনোনয়ন পাবেন না, তারা সদস্য পদে আসতে পারেন বলে জানা গেছে।
নীল ও গোলাপী যৌথ প্যানেল থেকে বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক বজলুল হক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আখতারুজ্জামানের নাম বেশ জোরেশোরে আলোচনায় আসছে। তবে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাতের নামও শোনা যাচ্ছে। সাধারণ সম্পাদক পদে সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ ও আইআরের সহযোগী অধ্যাপক অহিদুজ্জামান চাঁনের নাম শোনা যাচ্ছে। সহ-সভাপতি পদে আলোচনায় আসছে অধ্যাপক নাজমা শাহীন ও অধ্যাপক আ ব ম ফারুকের নাম। এ পদে অধ্যাপক আখতারুজ্জামানের নামও শোনা যাচ্ছে। যুগ্ম সম্পাদক পদে রসায়ন বিভাগের ড. আখতার আলী শেখ, গণিত বিভাগের ড. এমএ সামাদ, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের ড. কামাল উদ্দিন ও বাংলা বিভাগের ড. বায়তুল্লাহ কাদেরির নাম আলোচনায় আসছে। কোষাধ্যক্ষ পদে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনের নাম চূড়ান্ত হলেও অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিনের নামও শোনা যাচ্ছে।
এছাড়া সদস্য পদে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, অধ্যাপক মুনতাসির মামুন, অধ্যাপক ফখরুল আলম, অধ্যাপক ফরিদা বেগমের নাম আলোচনায় আসছে। এছাড়া সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদে যারা মনোনয়ন পাবেন না, তারা সদস্য পদে নির্বাচন করবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, পূর্ণ প্যানেল জয়লাভ করতে সব পদেই প্রার্থী দেয়া হবে অনেক ভেবেচিন্তে। উভয় দলই অপেক্ষা করছে অপর পক্ষ দলীয়ভাবে কাকে প্রার্থী দেয় তার ওপর। আর এজন্য অপেক্ষা করতে হবে মনোনয়নের শেষদিন ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
উল্লেখ্য, এবছর প্রায় ১ হাজার ৫শ’টি ভোট রয়েছে। সর্বশেষ গত বছর ৩১ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কিনা, এ নিয়ে সংশয় রয়েছে শিক্ষকদের মধ্যে। দু্রত ভোট গ্রহণ ও গণনা, ভুল-ভ্রান্তি এড়াতে ওএমআর পদ্ধতি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা। গত মঙ্গলবার শিক্ষক সমিতির কাছে ৬০ শিক্ষক তাদের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ দাবি জানান। সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কিনা, এ নিয়ে আশঙ্কা করছেন। এর কারণ হিসেবে তিনি অভিযোগ করেন, গত সিনেট নির্বাচনে ভোটারদের প্রভাবিত ও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। একটি ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করেছে। এ নির্বাচনকেও একটি মহল প্রভাবিত করার যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সাদা দল পূর্ণ প্যানেল জয়ী হবে।
৫টি কার্যকরী পরিষদ ও ১০টি সদস্যসহ মোট ১৫টি পদে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাই সাদা ও নীল উভয় দলই পূর্ণ প্যানেলের জয় তুলতে ক্লিন ইমেজ ও যোগ্যতার দিকগুলো বিবেচনা করছে। এজন্য সাদা ও নীল দলের নীতিনির্ধারকরা বার বার বৈঠক করেছেন। তবে কোনো দল এখনও প্যানেল চূড়ান্ত না করলেও সম্ভাব্যদের নাম আলোচনায় আসছে। সাদা প্যানেল থেকে সভাপতি পদে প্রার্থী হতে পারেন শিক্ষক সমিতির বার বার নির্বাচিত সাবেক সভাপতি ও কলা অনুষদের বর্তমান ডিন অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন, শিক্ষক সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি তাজমেরী এসএ ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এসআই খান ও বাণিজ্য অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলামের নাম শোনা যাচ্ছে। এদের মধ্যে অধ্যাপক সদরুল আমিন ও অধ্যাপক তাজমেরী ইসলাম এগিয়ে রয়েছেন। আর শিক্ষক সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম এবারও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন। সহ-সভাপতি পদে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবুল বাশার, সাবেক ডিন ও প্রাণরসায়ন বিভাগের অধ্যাপক সালেহীন কাদরী ছাড়াও নতুন মুখও আসতে পারেন। যুগ্ম সস্পাদক পদে বর্তমান যুগ্ম সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক লুত্ফুর রহমান ও ফার্মেসি অনুষদের আবুল হাসনাতের নাম শোনা যাচ্ছে। কোষাধ্যক্ষ পদে ফিন্যান্স বিভাগের ড. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ও অধ্যাপক আলী আহসানের নাম শোনা যাচ্ছে। সদস্য পদে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফেরদৌস হোসেন, আইবিএ’র অধ্যাপক জিএম চৌধুরী, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক এসআই খান, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শাহজাহান মিয়ার নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়া সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে যারা দলীয় মনোনয়ন পাবেন না, তারা সদস্য পদে আসতে পারেন বলে জানা গেছে।
নীল ও গোলাপী যৌথ প্যানেল থেকে বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক বজলুল হক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আখতারুজ্জামানের নাম বেশ জোরেশোরে আলোচনায় আসছে। তবে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাতের নামও শোনা যাচ্ছে। সাধারণ সম্পাদক পদে সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ ও আইআরের সহযোগী অধ্যাপক অহিদুজ্জামান চাঁনের নাম শোনা যাচ্ছে। সহ-সভাপতি পদে আলোচনায় আসছে অধ্যাপক নাজমা শাহীন ও অধ্যাপক আ ব ম ফারুকের নাম। এ পদে অধ্যাপক আখতারুজ্জামানের নামও শোনা যাচ্ছে। যুগ্ম সম্পাদক পদে রসায়ন বিভাগের ড. আখতার আলী শেখ, গণিত বিভাগের ড. এমএ সামাদ, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের ড. কামাল উদ্দিন ও বাংলা বিভাগের ড. বায়তুল্লাহ কাদেরির নাম আলোচনায় আসছে। কোষাধ্যক্ষ পদে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনের নাম চূড়ান্ত হলেও অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিনের নামও শোনা যাচ্ছে।
এছাড়া সদস্য পদে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, অধ্যাপক মুনতাসির মামুন, অধ্যাপক ফখরুল আলম, অধ্যাপক ফরিদা বেগমের নাম আলোচনায় আসছে। এছাড়া সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদে যারা মনোনয়ন পাবেন না, তারা সদস্য পদে নির্বাচন করবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, পূর্ণ প্যানেল জয়লাভ করতে সব পদেই প্রার্থী দেয়া হবে অনেক ভেবেচিন্তে। উভয় দলই অপেক্ষা করছে অপর পক্ষ দলীয়ভাবে কাকে প্রার্থী দেয় তার ওপর। আর এজন্য অপেক্ষা করতে হবে মনোনয়নের শেষদিন ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
উল্লেখ্য, এবছর প্রায় ১ হাজার ৫শ’টি ভোট রয়েছে। সর্বশেষ গত বছর ৩১ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


