পাবনার পাঁচ শহীদের মা রোকেয়া খাতুন ৩৮ বছর ধরে কাঁদছেন
জহুরুল ইসলাম, পাবনা
স্বাধীনতার ৩৮ বছরেও ৫ শহীদের মা রোকেয়া খাতুনের খবর নেননি কেউ। আজ ১৬ ডিসেম্বর শহীদ পরিবার হিসেবে শুধু পেয়েছে একটি আমন্ত্রণপত্র।
অনেক দুঃখ, অনেক কষ্ট ও অনেক বেদনা বুকে চেপে এখনও বেঁচে আছেন মহান মুক্তিযুদ্ধে ৪ ছেলে ও এক জামাতা হারানো শহীদ মা পাবনার ৮৩ বছরের রোকেয়া খাতুন। বিজয়ের মাস ডিসেম্বর আনন্দের হলেও সর্বস্ব হারানো এই পরিবারের জন্য তা অনেক দুঃখ, কষ্ট ও বেদনার। এই মাস এলে এই পরিবারের সবাই ডুকরে ডুকরে কাঁদে। দেশকে স্বাধীন করতে এই পরিবার সর্বস্ব হারিয়েছে। এখনও ওষুধের অভাবে অসুস্থ হয়ে দিনের পর দিন কষ্ট পেতে হয় শহীদ সন্তানদের মাকে।
মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেশকে স্বাধীন করতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয় পাবনা শহরের সাধুপাড়া এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মোতাহার হোসেন মাস্টারের ৫ মেধাবী ছেলে ও এক জামাতা। এরা হলেন ক্যাপ্টেন মোজাম্মেল হোসেন, মোশারফ হোসেন রঞ্জু, মোস্তাক হোসেন অঞ্জু, মোকাররম হোসেন মুকুল, মনসুর হোসেন মঞ্জু ও তাদের ভগ্নিপতি ইউসুফ আলী।
এদের মধ্যে ৮ ডিসেম্বর সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন মোশারফ হোসেন রঞ্জু ও মোস্তাক হোসেন অঞ্জু। দুই ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ জানাতে এবং বাবা মায়ের সঙ্গে দেখা করতে ১২ ডিসেম্বর অপর দুই ভাই মোকাররম হোসেন মুকুল, মনসুর হোসেন মঞ্জু এবং ভগ্নিপতি ইউসুফ আলী তাদের মধুবাগের বাসায় আসেন। ওই সময় পাক হানাদারদের দোসর রাজাকার, আল বদর ও আল শামসের ক্যাডাররা তাদের আগমনের খবর পাকসেনাদের জানিয়ে দেয়। মুহূর্তেই পাকসেনারা ওই বাড়ি ঘিরে তাদের তিনজনকে ধরে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে হত্যা করে বলে জানা যায়। তবে শহীদ ৫ জনের কোনো লাশই পাওয়া যায়নি। শহীদদের আত্মীয়-স্বজন জানান, পাবনার একমাত্র শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার হিসেবে সবার শ্রদ্ধেয় মোতাহার হোসেন মাস্টারের সব ছেলেমেয়েই ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। এমনকি ৪ ভাইয়ের মৃত্যুর পর জীবিত দু’ভাইয়ের সংসারের ঘানি টানতে সময় চলে গেছে। তাই তাদের ভাগ্যে জোটেনি ভালো কোনো চাকরি। এখনও দু’ভাই বেকার অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
অনেক দুঃখ, অনেক কষ্ট ও অনেক বেদনা বুকে চেপে এখনও বেঁচে আছেন মহান মুক্তিযুদ্ধে ৪ ছেলে ও এক জামাতা হারানো শহীদ মা পাবনার ৮৩ বছরের রোকেয়া খাতুন। বিজয়ের মাস ডিসেম্বর আনন্দের হলেও সর্বস্ব হারানো এই পরিবারের জন্য তা অনেক দুঃখ, কষ্ট ও বেদনার। এই মাস এলে এই পরিবারের সবাই ডুকরে ডুকরে কাঁদে। দেশকে স্বাধীন করতে এই পরিবার সর্বস্ব হারিয়েছে। এখনও ওষুধের অভাবে অসুস্থ হয়ে দিনের পর দিন কষ্ট পেতে হয় শহীদ সন্তানদের মাকে।
মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেশকে স্বাধীন করতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয় পাবনা শহরের সাধুপাড়া এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মোতাহার হোসেন মাস্টারের ৫ মেধাবী ছেলে ও এক জামাতা। এরা হলেন ক্যাপ্টেন মোজাম্মেল হোসেন, মোশারফ হোসেন রঞ্জু, মোস্তাক হোসেন অঞ্জু, মোকাররম হোসেন মুকুল, মনসুর হোসেন মঞ্জু ও তাদের ভগ্নিপতি ইউসুফ আলী।
এদের মধ্যে ৮ ডিসেম্বর সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন মোশারফ হোসেন রঞ্জু ও মোস্তাক হোসেন অঞ্জু। দুই ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ জানাতে এবং বাবা মায়ের সঙ্গে দেখা করতে ১২ ডিসেম্বর অপর দুই ভাই মোকাররম হোসেন মুকুল, মনসুর হোসেন মঞ্জু এবং ভগ্নিপতি ইউসুফ আলী তাদের মধুবাগের বাসায় আসেন। ওই সময় পাক হানাদারদের দোসর রাজাকার, আল বদর ও আল শামসের ক্যাডাররা তাদের আগমনের খবর পাকসেনাদের জানিয়ে দেয়। মুহূর্তেই পাকসেনারা ওই বাড়ি ঘিরে তাদের তিনজনকে ধরে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে হত্যা করে বলে জানা যায়। তবে শহীদ ৫ জনের কোনো লাশই পাওয়া যায়নি। শহীদদের আত্মীয়-স্বজন জানান, পাবনার একমাত্র শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার হিসেবে সবার শ্রদ্ধেয় মোতাহার হোসেন মাস্টারের সব ছেলেমেয়েই ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। এমনকি ৪ ভাইয়ের মৃত্যুর পর জীবিত দু’ভাইয়ের সংসারের ঘানি টানতে সময় চলে গেছে। তাই তাদের ভাগ্যে জোটেনি ভালো কোনো চাকরি। এখনও দু’ভাই বেকার অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


