বরিশালে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ভর্তিযুদ্ধ শুরু
বরিশাল অফিস
বিভাগীয় সদর বরিশাল নগরীর মাত্র দুটি সরকারি বিদ্যালয়ে প্রতি বছরের মতো এবারও শুরু হয়েছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ভর্তিযুদ্ধ। ৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে ভর্তি ফরম সংগ্রহ। সন্তানদের সরকারি স্কুলে পড়ানোর লক্ষ্যে অভিভাবকরাও নেমে পড়েছেন ফরম সংগ্রহ থেকে শুরু করে লবিং ও তদবিরে। সরকারি স্কুলের সংখ্যা বৃদ্ধি না করায় প্রতি বছর ভর্তি নিয়ে চলে নানা রকম অনিয়ম ও দুর্নীতি।
বিভাগীয় শহর হওয়া সত্ত্বেও মাত্র দুটি সরকারি বিদ্যালয় রয়েছে এখানে। আর তা হলো বরিশাল জিলা স্কুল ও সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়। দুটি বিদ্যালয়ে একই সঙ্গে ভর্তি প্রক্রিয়া চলে থাকে প্রতি বছর। ৫ ডিসেম্বর থেকে এ দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে। বিতরণ চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। একই সঙ্গে ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফরম জমা নেয়া হবে। তৃতীয় শ্রেণীর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১ জানুয়ারি, ২ জানুয়ারি ৬ষ্ঠ শ্রেণী এবং ৩ জানুয়ারি ৪র্থ শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষা। অন্যান্য বছর ৩য় শ্রেণীতে ১২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলেও এবার ভর্তি করা হবে ২৪০ জন। ৪র্থ শ্রেণীতে ১২০ জন ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি করা হবে ২০ জন শিক্ষার্থীকে। অন্যান্য বছর আসন সংখ্যার প্রায় ৭/৮ গুণ বেশি শিক্ষার্থী ভর্তিযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। এবার সে সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। ফলে ভর্তিযুদ্ধে সন্তানের সফলতা নিয়ে এখন থেকেই অভিভাবকদের মাঝে দেখা দিয়েছে চরম উত্কণ্ঠা। এদিকে প্রতি বারই এ দুটি বিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ঘটে নানা রকম কেলেঙ্কারি। অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় দুটির শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেট পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাই ভর্তির ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে।
অন্যদিকে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি নিয়ে ব্যবসা ফেঁদে বসেছে বিভিন্ন কোচিং সেন্টারগুলো। ভর্তির নিশ্চয়তাসহ নানা রকম লোভনীয় প্রচার-প্রচারণায় অভিভাবকদের আকৃষ্ট করছে। বাস্তবসঙ্গত চাহিদার বিবেচনায় নগরীর আরও চারটি স্কুল সরকারীকরণের দাবি বরিশালবাসীর।
বিভাগীয় শহর হওয়া সত্ত্বেও মাত্র দুটি সরকারি বিদ্যালয় রয়েছে এখানে। আর তা হলো বরিশাল জিলা স্কুল ও সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়। দুটি বিদ্যালয়ে একই সঙ্গে ভর্তি প্রক্রিয়া চলে থাকে প্রতি বছর। ৫ ডিসেম্বর থেকে এ দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে। বিতরণ চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। একই সঙ্গে ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফরম জমা নেয়া হবে। তৃতীয় শ্রেণীর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১ জানুয়ারি, ২ জানুয়ারি ৬ষ্ঠ শ্রেণী এবং ৩ জানুয়ারি ৪র্থ শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষা। অন্যান্য বছর ৩য় শ্রেণীতে ১২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলেও এবার ভর্তি করা হবে ২৪০ জন। ৪র্থ শ্রেণীতে ১২০ জন ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি করা হবে ২০ জন শিক্ষার্থীকে। অন্যান্য বছর আসন সংখ্যার প্রায় ৭/৮ গুণ বেশি শিক্ষার্থী ভর্তিযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। এবার সে সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। ফলে ভর্তিযুদ্ধে সন্তানের সফলতা নিয়ে এখন থেকেই অভিভাবকদের মাঝে দেখা দিয়েছে চরম উত্কণ্ঠা। এদিকে প্রতি বারই এ দুটি বিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ঘটে নানা রকম কেলেঙ্কারি। অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় দুটির শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেট পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাই ভর্তির ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে।
অন্যদিকে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি নিয়ে ব্যবসা ফেঁদে বসেছে বিভিন্ন কোচিং সেন্টারগুলো। ভর্তির নিশ্চয়তাসহ নানা রকম লোভনীয় প্রচার-প্রচারণায় অভিভাবকদের আকৃষ্ট করছে। বাস্তবসঙ্গত চাহিদার বিবেচনায় নগরীর আরও চারটি স্কুল সরকারীকরণের দাবি বরিশালবাসীর।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


