Amardesh
আজঃ ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৭ ডিসেম্বর ২০০৯, ৩ পৌষ ১৪১৬, ২৯ জিলহজ ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 বিশেষ বিভাগ
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

খুলনা আযম খান কমার্স কলেজের শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে

খুলনা অফিস
খুলনার সরকারি আযম খান কমার্স কলেজে শিক্ষক, প্রয়োজনীয় শ্রেণীকক্ষ ও আবাসন সঙ্কটের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে সাড়ে সাত হাজার শিক্ষার্থী। উল্লিখিত তিনটি সমস্যা মোকাবিলা করতে গিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে প্রয়োজনীয় শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ থেকে।
জানা গেছে, কমার্স কলেজে অ্যাকাউন্টিং, ম্যানেজমেন্ট, ফিন্যান্স ও মার্কেটিং বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স এবং সম্প্রতি পুনরায় চালু হওয়া এইচএসসি মিলিয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাড়ে সাত হাজার। একটি চারতলা, একটি তিনতলা এবং একটি দোতলা একাডেমিক ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে গিয়ে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে দোতলা ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে একেবারে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
অপর দুটি ভবনে পর্যাপ্তসংখ্যক কক্ষ না থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বছর তিনেক আগে কলেজে ফিন্যান্স ও মার্কেটিং বিভাগ খোলা হয়। ফিন্যান্সের জন্য শিক্ষকের একটি পদ সৃষ্টি করা হলেও মার্কেটিং বিভাগে শিক্ষকের কোনো পদ সৃষ্টি করা হয়নি। ফলে কলেজের অন্য বিভাগ থেকে কিংবা বাইরে থেকে শিক্ষক ভাড়া করে এনে পড়ানোর কাজ চালাতে হচ্ছে। দুটি বিভাগে ন্যূনতম ৪ জন করে মোট ৮ জন শিক্ষক প্রয়োজন বলে কলেজ সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া অর্থনীতি ও হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে একজন করে এবং ম্যানেজমেন্টে ৪ জন শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। কলেজের প্রিন্সিপালের কক্ষসহ প্রশাসনিক ভবনটিও জরাজীর্ণ। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে কলেজ প্রশাসন।
এদিকে বিপুলসংখ্যক ছাত্রছাত্রীর আবাসনের জন্য পর্যাপ্ত সুবিধার অভাব রয়েছে। ছেলেদের জন্য একটি হোস্টেল রয়েছে অথচ মেয়েদের জন্য তা-ও নেই। এ কারণে খুলনা শহরের বাইরে থেকে যেসব মেয়ে কমার্সে উচ্চশিক্ষা নেয়ার জন্য এ কলেজে ভর্তি হয়, তাদের অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই বাইরে মেসে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে।
সম্প্রতি খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের ২ জন প্রকৌশলীকে নিয়ে কলেজটি পরিদর্শন করেন।
এ সময় কলেজ কর্তৃপক্ষ ১৫০ শয্যাবিশিষ্ট মহিলা হোস্টেল, ১৬ কক্ষবিশিষ্ট একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণ এবং মজিদ ছাত্রাবাসের আসনসংখ্যা ৯১ থেকে বাড়িয়ে ১৫০-এ উন্নীত করার দাবি জানান।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?