আজ ফরিদপুর হানাদার মুক্তদিবস
মনিরুজ্জামান মন্নু, মধুখালী (ফরিদপুর)
পাকিস্তানি পরাজিত বাহিনী ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে আত্মসমর্পণ করলেও ফরিদপুর পাকহানাদারমুক্ত হয় একদিন পর ১৭ ডিসেম্বর। অবশ্য মুক্তিযোদ্ধারা দলে দলে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় উল্লাসে শহরে প্রবেশ করতে থাকেন। জানা গেছে, ১৭ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার রাজেন্দ্রনাথ ফরিদপুর এসে পৌঁছান। মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) নূর মোহাম্মদ বাবুলসহ তিনি ফরিদপুর পুলিশ লাইনে পৌঁছলে পরাজিত হানাদার বাহিনী ওইদিন সকাল সোয়া ১১টায় আত্মসমর্পণ করে। এইদিনে মুজিব বাহিনীর উপ-প্রধান এবং বৃহত্তর ফরিদপুরের বিএলএফের কমান্ডার শাহ্ মোঃ আবু জাফরের সভাপতিত্বে ঐতিহাসিক অম্বিকা ময়দানে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই জনসভায় বিভিন্ন ফ্রন্টের মুক্তিযোদ্ধাসহ প্রায় ১০ হাজার লোক উপস্থিত হন।
৯ ডিসেম্বর বোয়ালমারী থানার নতুবদিয়ার করিমপুর ব্রিজে সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত দু’শতাধিক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিবাহিনীর যুদ্ধ চলে। মুক্তিযোদ্ধাদের এক গ্রুপের নেতৃত্ব দেন হেমায়েতউদ্দিন তালুকদার এবং অন্য গ্রুপের নেতৃত্ব দেন ফরিদপুর শহরের যুবক কাজী সালাউদ্দিন।
৯ ডিসেম্বর বোয়ালমারী থানার নতুবদিয়ার করিমপুর ব্রিজে সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত দু’শতাধিক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিবাহিনীর যুদ্ধ চলে। মুক্তিযোদ্ধাদের এক গ্রুপের নেতৃত্ব দেন হেমায়েতউদ্দিন তালুকদার এবং অন্য গ্রুপের নেতৃত্ব দেন ফরিদপুর শহরের যুবক কাজী সালাউদ্দিন।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


