মাদারীপুরে চরমপন্থীরা আবারও তত্পর
শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি
গত ১৬ নভেম্বর র্যাবের সঙ্গে ক্রসফায়ারে চরমপন্থী দলের নেতা লুত্ফর খালাসি ও খায়রুল খালাসি নিহত হওয়ার পর মাদারীপুর ও শিবচরে চরমপন্থীরা গা-ঢাকা দিলেও আবারও ধীরে ধীরে তারা তত্পর হয়ে উঠছে। শিবচরে দুটি গ্রুপসহ মাদারীপুরে ধীরে ধীরে তারা আবারও সক্রিয় হয়ে উঠছে বলে এলাকাবাসী ও পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, জেলায় মূলত ১৯৯০ সালের পর থেকে বেপরোয়া হয়ে ওঠে চরমপন্থীরা। আড়িয়াল খাঁর পাড় ধরে প্রত্যন্ত জনপদ জেলা সদরের শিরখাড়া, শ্রীনদী, শিলারচর, ধুরাইল, শিবচর উপজেলার নিলুখী, বহেরাতলা, শিরুয়াইল, রাজৈর উপজেলার কবিরাজপুর, বদরপাশা, ইশিপপুর, মহেন্দ্রদি, কালকিনি উপজেলার রাজারচর এলাকাগুলো চরমপন্থী অধ্যুষিত। ৩/৪টি গ্রুপে বিভক্ত এরা। ২০০০ সালের ১ জুলাই জেলার শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে মোঃ ঠাণ্ডু মিয়া নামের এক পুলিশ কনস্টেবলকে হত্যা করে ১৯টি এসএমজি, রাইফেল ও সহস্রাধিক গুলি লুট, ২০০৫ সালের ৪ এপ্রিল জেলা সদরের শ্রীনদী এলাকায় দায়িত্বরত অবস্থায় ডিএসবির এসআই হাসনাইন আজম ও প্রধান সহকারী কামরুল ইসলামকে অপহরণের পর ৮০ টুকরা করে হত্যা, শিবচরের নিলুখীর ইউপি চেয়ারম্যান সামসু ভূইয়া, দেলোয়ার ভূইয়া, ফারুক ভূইয়া, শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও বহেরাতলার ইউপি চেয়ারম্যান রফি মাদবরসহ জেলার শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এসব চরমপন্থী গ্রুপের হাতে। মাঝে মাঝেই এসব এলাকায় ও নদ-নদীতে পাওয়া যায় লাশ। এ পর্যন্ত পুলিশ ও র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে বা ক্রসফায়ারে ২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি লুত্ফরের ভাই ওবায়দুর খালাসিসহ জেলার ৯ জন চরমপন্থী নিহত হলেও উদ্ধার হয়নি চরমপন্থীদের বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার। এ এলাকাগুলোর বেশ কিছু নারী সদস্যও সম্পৃক্ত রয়েছে এ কাজে। ঘরে ঘরে চাঁদাবাজি, নারী ধর্ষণ, বেশ কিছু হত্যাকাণ্ডের নৃশংসতা সভ্যতাকে হার মানায় এবং এর ব্যাপকতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকার হাজার হাজার পরিবার বসত গড়েছে উপজেলা ও জেলা শহর এলাকাগুলোতে। শিবচর ও মাদারীপুরসহ অন্যান্য থানায় এখনও রয়েছে প্রায় শ’খানেক তালিকাভুক্ত চরমপন্থী। বন্দুকযুদ্ধে খালাসি সহোদরের নিহতের পর আইন প্রয়োগকারী সংস্থা চাপে পড়ার সুযোগে চরমপন্থীরা আবারও তত্পর হওয়ার চেষ্টা করছে বলে এলাকাবাসী জানায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্রামবাসী বলেন, লুত্ফর খালাসি- আজিজ মাদারীপুর, শিবচর, রাজৈরের সর্বহারার নেতা ছিল। হত্যা, নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজি সবই করত তারা।
শিরখারায় নিহত রাজ্জাক হাওলাদারের মেয়ে তানিয়া বেগম বলেন, ‘আমার আব্বারে লুত্ফর খালাসি ও সর্বহারারা বাজারে সবার সামনে গুলি কইরা মারছিল। ওরা আরো অনেক লোকরে মারছে। মেয়েগো ইজ্জত নিছে। ওর সঙ্গীরা এহনো এলাকায় আছে।’
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল জলিল বলেন, এ এলাকায় এখনও ২৫ জনের মতো তালিকাভুক্ত চরমপন্থী আছে। শুনেছি আজিজের সঙ্গে এক সময় লুত্ফর খালাসি ও তার ভাইদের বিচরণ ছিল এ এলাকায়। এখন মনির মোল্লার একটি গ্রুপ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। তবে পুলিশ সক্রিয় রয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার ওসি মোঃ গিয়াসউদ্দিন বলেন, লুত্ফর খালাসি, আজিজসহ চরমপন্থীদের তত্পরতা খুব বেশি ছিল এ জেলায়। চরমপন্থীরা জোড়া পুলিশ হত্যা, ফাঁড়ি লুটসহ খুব তত্পর ছিল । তবে এখন তারা নিষ্ক্রিয় ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, জেলায় মূলত ১৯৯০ সালের পর থেকে বেপরোয়া হয়ে ওঠে চরমপন্থীরা। আড়িয়াল খাঁর পাড় ধরে প্রত্যন্ত জনপদ জেলা সদরের শিরখাড়া, শ্রীনদী, শিলারচর, ধুরাইল, শিবচর উপজেলার নিলুখী, বহেরাতলা, শিরুয়াইল, রাজৈর উপজেলার কবিরাজপুর, বদরপাশা, ইশিপপুর, মহেন্দ্রদি, কালকিনি উপজেলার রাজারচর এলাকাগুলো চরমপন্থী অধ্যুষিত। ৩/৪টি গ্রুপে বিভক্ত এরা। ২০০০ সালের ১ জুলাই জেলার শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে মোঃ ঠাণ্ডু মিয়া নামের এক পুলিশ কনস্টেবলকে হত্যা করে ১৯টি এসএমজি, রাইফেল ও সহস্রাধিক গুলি লুট, ২০০৫ সালের ৪ এপ্রিল জেলা সদরের শ্রীনদী এলাকায় দায়িত্বরত অবস্থায় ডিএসবির এসআই হাসনাইন আজম ও প্রধান সহকারী কামরুল ইসলামকে অপহরণের পর ৮০ টুকরা করে হত্যা, শিবচরের নিলুখীর ইউপি চেয়ারম্যান সামসু ভূইয়া, দেলোয়ার ভূইয়া, ফারুক ভূইয়া, শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও বহেরাতলার ইউপি চেয়ারম্যান রফি মাদবরসহ জেলার শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এসব চরমপন্থী গ্রুপের হাতে। মাঝে মাঝেই এসব এলাকায় ও নদ-নদীতে পাওয়া যায় লাশ। এ পর্যন্ত পুলিশ ও র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে বা ক্রসফায়ারে ২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি লুত্ফরের ভাই ওবায়দুর খালাসিসহ জেলার ৯ জন চরমপন্থী নিহত হলেও উদ্ধার হয়নি চরমপন্থীদের বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার। এ এলাকাগুলোর বেশ কিছু নারী সদস্যও সম্পৃক্ত রয়েছে এ কাজে। ঘরে ঘরে চাঁদাবাজি, নারী ধর্ষণ, বেশ কিছু হত্যাকাণ্ডের নৃশংসতা সভ্যতাকে হার মানায় এবং এর ব্যাপকতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকার হাজার হাজার পরিবার বসত গড়েছে উপজেলা ও জেলা শহর এলাকাগুলোতে। শিবচর ও মাদারীপুরসহ অন্যান্য থানায় এখনও রয়েছে প্রায় শ’খানেক তালিকাভুক্ত চরমপন্থী। বন্দুকযুদ্ধে খালাসি সহোদরের নিহতের পর আইন প্রয়োগকারী সংস্থা চাপে পড়ার সুযোগে চরমপন্থীরা আবারও তত্পর হওয়ার চেষ্টা করছে বলে এলাকাবাসী জানায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্রামবাসী বলেন, লুত্ফর খালাসি- আজিজ মাদারীপুর, শিবচর, রাজৈরের সর্বহারার নেতা ছিল। হত্যা, নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজি সবই করত তারা।
শিরখারায় নিহত রাজ্জাক হাওলাদারের মেয়ে তানিয়া বেগম বলেন, ‘আমার আব্বারে লুত্ফর খালাসি ও সর্বহারারা বাজারে সবার সামনে গুলি কইরা মারছিল। ওরা আরো অনেক লোকরে মারছে। মেয়েগো ইজ্জত নিছে। ওর সঙ্গীরা এহনো এলাকায় আছে।’
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল জলিল বলেন, এ এলাকায় এখনও ২৫ জনের মতো তালিকাভুক্ত চরমপন্থী আছে। শুনেছি আজিজের সঙ্গে এক সময় লুত্ফর খালাসি ও তার ভাইদের বিচরণ ছিল এ এলাকায়। এখন মনির মোল্লার একটি গ্রুপ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। তবে পুলিশ সক্রিয় রয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার ওসি মোঃ গিয়াসউদ্দিন বলেন, লুত্ফর খালাসি, আজিজসহ চরমপন্থীদের তত্পরতা খুব বেশি ছিল এ জেলায়। চরমপন্থীরা জোড়া পুলিশ হত্যা, ফাঁড়ি লুটসহ খুব তত্পর ছিল । তবে এখন তারা নিষ্ক্রিয় ।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


