আ ত্ম ক র্ম সং স্থা ন : হস্তশিল্প নিয়ে কাজ করছেন চিনা চাকমা
হুমায়রা তানি
গতানুগতিক ধারায় স্বাবলম্বনের পথে পাড়ি না দিয়ে নিজের চেষ্টায় সাফল্যের পথে অগ্রগামী এক নারীর নাম ‘চিনা চাকমা’। রাঙামাটির অধিবাসী চিনা চাকমা প্রায় আট বছর আগে শুরু করেছিলেন তার ছোট ব্যবসাটি। নিতান্তই স্বল্প পুঁজি নিয়ে তার হস্তশিল্পের এই ব্যবসাটি শুরু হলেও মনে ছিল তার দুরন্ত আশা। নিজ স্বাবলম্বনের আশা, নির্ভরশীলতার পথ থেকে স্বউদ্যোগে পথ চলার আশা।
বাংলা ভাষায় স্নাতকোত্তর করেও আর দশজনের মতো চাকরির চেষ্টা না করে শুরু করেন তার স্বউদ্যোগের হস্তশিল্পের ব্যবসা। প্রাথমিক অবস্থায় মাত্র দুই থেকে তিন হাজার টাকা নিয়ে তিনি শুরু করেন তার এই ব্যবসা। তারপর শুধুই সংগ্রামের পথ। প্রথমে তার এই ব্যবসাটি শুরু হয় তার নিজস্ব জন্মভূমি রাঙামাটিতেই। তারপর আস্তে আস্তে প্রসার। তার প্রতিষ্ঠানটির নাম রেখেছেন ‘রেগা ফ্যাশন’।
বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ‘শুভঙ্কর চাকমা’র সঙ্গে। শুভঙ্কর পেশায় চিত্রশিল্পী এবং চাকরিজীবী। চাকরিজীবী হলেও বিয়ের পর চিনার ব্যবসায়ের প্রধান প্রেরণা হচ্ছেন স্বামী শুভঙ্কর। তাছাড়া শুভঙ্কর চিনাকে তার কাজে নানাভাবে সাহায্য করেন। বর্তমানে চিনা হ্যান্ডপ্রিন্টের শাড়ি, ফতুয়া, হ্যান্ডলুমে বোনা আদিবাসীদের সুতি ও সিল্কের কাপড়, আদিবাসীদের পোশাক, বেতের ওপর বিভিন্ন রঙের ডিজাইনে বোনা ব্যাগ, ছোট হ্যান্ডব্যাগ ইত্যাদি পণ্য তৈরি করছেন। ভবিষ্যতে আরও নতুন ধরনের পণ্য তৈরিতে তার সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাবেন বলে আশা করেন তিনি।
তার পণ্যের মধ্যে বেতের হ্যান্ডব্যাগগুলোর দাম ১৮০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত, হ্যান্ডপ্রিন্টের শাড়ি ১২০০-১৮০০ টাকা, সুতি ফতুয়া ২৩০-৪০০ টাকা। এখনও চিনা তার প্রতিষ্ঠানের কোনো শোরুম দিতে পারেননি। তিনি তার এই পণ্যগুলো নিয়ে বিভিন্ন মেলায় অংশগ্রহণ করেন এবং বাসা থেকে ছোট আয়োজনেই পণ্য বাজারজাত করে থাকেন।
পর্যাপ্ত পুঁজির অভাবে তার পণ্যের নিজস্ব শোরুম দেয়া সম্ভব নয় বলে জানান তিনি।
আমাদের দেশে হস্তশিল্পের বাজার অনেক ক্ষেত্রেই এখনও পিছিয়ে। বিদেশি পণ্য ও মেশিন ওয়ার্কের নানা পণ্যের সমাহারে হস্তশিল্প যে কতটা অবহেলিত তা বলার অবকাশ রাখে না। তবে আমাদের দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে এখনও ভোক্তাদের একটা মহল ও সমাজের কিছু মার্জিত রুচিসম্পন্ন মানুষ সর্বদা সচেষ্ট। সেই প্রচেষ্টার একটি ফল হচ্ছে হস্তশিল্প মেলাগুলো।
চিনা চাকমার মতো অনেক হস্তশিল্পীর পণ্যের অন্যতম বাজার এই মেলাগুলো। তবে ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে চিনা তার পণ্য নিয়ে বিশ্ববাজারেও স্থান করে নেয়ার আশা রাখেন। চিনা চাকমার মতো অনেক গুণী হস্তশিল্পী হয়তো আমাদের দেশের আনাচে-কানাচে আছেন। হস্তশিল্পের পণ্যের প্রতি আমাদের কদর হয়তো এনে দিতে পারে আমাদের সংস্কৃতির ক্রমশ অগ্রগতি ও চিনার মতো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের করে তুলতে পারে স্বাবলম্বী ও সফল নারী।
বাংলা ভাষায় স্নাতকোত্তর করেও আর দশজনের মতো চাকরির চেষ্টা না করে শুরু করেন তার স্বউদ্যোগের হস্তশিল্পের ব্যবসা। প্রাথমিক অবস্থায় মাত্র দুই থেকে তিন হাজার টাকা নিয়ে তিনি শুরু করেন তার এই ব্যবসা। তারপর শুধুই সংগ্রামের পথ। প্রথমে তার এই ব্যবসাটি শুরু হয় তার নিজস্ব জন্মভূমি রাঙামাটিতেই। তারপর আস্তে আস্তে প্রসার। তার প্রতিষ্ঠানটির নাম রেখেছেন ‘রেগা ফ্যাশন’।
বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ‘শুভঙ্কর চাকমা’র সঙ্গে। শুভঙ্কর পেশায় চিত্রশিল্পী এবং চাকরিজীবী। চাকরিজীবী হলেও বিয়ের পর চিনার ব্যবসায়ের প্রধান প্রেরণা হচ্ছেন স্বামী শুভঙ্কর। তাছাড়া শুভঙ্কর চিনাকে তার কাজে নানাভাবে সাহায্য করেন। বর্তমানে চিনা হ্যান্ডপ্রিন্টের শাড়ি, ফতুয়া, হ্যান্ডলুমে বোনা আদিবাসীদের সুতি ও সিল্কের কাপড়, আদিবাসীদের পোশাক, বেতের ওপর বিভিন্ন রঙের ডিজাইনে বোনা ব্যাগ, ছোট হ্যান্ডব্যাগ ইত্যাদি পণ্য তৈরি করছেন। ভবিষ্যতে আরও নতুন ধরনের পণ্য তৈরিতে তার সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাবেন বলে আশা করেন তিনি।
তার পণ্যের মধ্যে বেতের হ্যান্ডব্যাগগুলোর দাম ১৮০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত, হ্যান্ডপ্রিন্টের শাড়ি ১২০০-১৮০০ টাকা, সুতি ফতুয়া ২৩০-৪০০ টাকা। এখনও চিনা তার প্রতিষ্ঠানের কোনো শোরুম দিতে পারেননি। তিনি তার এই পণ্যগুলো নিয়ে বিভিন্ন মেলায় অংশগ্রহণ করেন এবং বাসা থেকে ছোট আয়োজনেই পণ্য বাজারজাত করে থাকেন।
পর্যাপ্ত পুঁজির অভাবে তার পণ্যের নিজস্ব শোরুম দেয়া সম্ভব নয় বলে জানান তিনি।
আমাদের দেশে হস্তশিল্পের বাজার অনেক ক্ষেত্রেই এখনও পিছিয়ে। বিদেশি পণ্য ও মেশিন ওয়ার্কের নানা পণ্যের সমাহারে হস্তশিল্প যে কতটা অবহেলিত তা বলার অবকাশ রাখে না। তবে আমাদের দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে এখনও ভোক্তাদের একটা মহল ও সমাজের কিছু মার্জিত রুচিসম্পন্ন মানুষ সর্বদা সচেষ্ট। সেই প্রচেষ্টার একটি ফল হচ্ছে হস্তশিল্প মেলাগুলো।
চিনা চাকমার মতো অনেক হস্তশিল্পীর পণ্যের অন্যতম বাজার এই মেলাগুলো। তবে ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে চিনা তার পণ্য নিয়ে বিশ্ববাজারেও স্থান করে নেয়ার আশা রাখেন। চিনা চাকমার মতো অনেক গুণী হস্তশিল্পী হয়তো আমাদের দেশের আনাচে-কানাচে আছেন। হস্তশিল্পের পণ্যের প্রতি আমাদের কদর হয়তো এনে দিতে পারে আমাদের সংস্কৃতির ক্রমশ অগ্রগতি ও চিনার মতো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের করে তুলতে পারে স্বাবলম্বী ও সফল নারী।


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


