কাউন্সিলের পর বিএনপির কাছে আপনার প্রত্যাশা কী—এ বিষয়ে পাঠক মতামত : দেশের স্বার্থরক্ষার একমাত্র পথ গণআন্দোলন
৮ ডিসেম্বর বিএনপির সফল জাতীয় কাউন্সিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গর্বিত অধ্যায়। এ কাউন্সিলের মাধ্যমে ওয়ান-ইলেভেনের করুণ শিকার বিএনপি শুধু ঘুরে দাঁড়ায়নি, দলটির কাছে দেশবাসীর প্রত্যাশাও অনেক বেড়ে গেছে। আমার দেশ পাঠকরা দেশের এ বৃহত্তম রাজনৈতিক দলটির কাছে আগামী দিনে এমন পথ-নির্দেশনা কামনা করছেন, যাতে দেশ ও জাতি দেশি-বিদেশি সব চক্রান্তের জাল ছিন্ন করে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাথা উঁচু করে বিশ্ব দরবারে থাকতে পারে। দৈনিক আমার দেশ আয়োজিত পাবলিক কমেন্ট বিভাগে দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে নানামতের পাঠক টেলিফোন, ই-মেইল ও ফ্যাক্সের মাধ্যমে বিএনপির কাছে তাদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন। পাঠকদের এসব মতামত বিশ্লেষণ করলে এটা স্পষ্ট বোঝা যাবে, বিএনপির কাছে দেশবাসীর প্রত্যাশা কতটা গভীর ও বাস্তব। বিশেষত টিপাইমুখ বাঁধ, এশিয়ান হাইওয়ের নামে ভারতকে করিডোর প্রদান ইস্যুতে তারা সোচ্চার। পাশাপাশি সংসদে ফিরে দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকায় বিএনপিকে দেখতে চায়। বিএনপির কাছে আমার দেশের নানামতের পাঠকদের প্রত্যাশা নিয়েই আজকের এ আয়োজন।
অনুস্মৃতি : জিয়াউদ্দিন সাইমুম, মাহাবুবুর রহমান ও আসাদুজ্জামান সাগর
মোবারক হোসেন মিলন, চাকরিজীবী, এরশাদনগর, টঙ্গী : দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ। তারেক রহমানকে ধন্যবাদ। কাজটি খুব একটা খারাপ হয়নি। খোন্দকার দেলোয়ারকে সম্মানের সঙ্গে বিদায় দেয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। দুঃসময়ে তিনি দলের হাল ধরেছিলেন।
জুনায়েদ মহসিন, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা : তারেক রহমান আরও উপরে ওঠুন। যদি তিনি অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেন, তাহলে তিনি দলের জন্য বড় মাপের সম্পদ হবেন। তার ওপরই দেশ ও দলের ভবিষ্যত্ নির্ভর করবে অনেকখানি।
সাজ্জাদুর রহমান, ছাত্রলীগ সদস্য, বসুন্ধরা কলোনি, নোয়াখালী : বিএনপির কাছে প্রত্যাশা—ক্ষমতায় গেলে তারা যেন দুর্নীতিমুক্ত করে দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে যায়।
মোঃ জাবেদ আনসারী, চট্টগ্রাম মহানগর, যুবদল : বিএনপির কাছে দেশবাসীর পাশাপাশি আমারও চাওয়া আছে। মহামিলনমেলা নামে পরিচিত পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিল দেশের মাইলস্টোন। বিএনপি গণতান্ত্রিক পথে এগুবে এবং তৃণমূল থেকে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করবে। ধন্যবাদ জানাচ্ছি খালেদা জিয়াকে স্থায়ী কমিটিতে নতুন মুখ আনার জন্য।
ফখরুল ইসলাম, যুবদল নেতা, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ : দেশনেত্রী খালেদা জিয়া তৃণমূল নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে দল এগিয়ে নিয়ে যাবেন। স্বচ্ছ ও যোগ্য কমিটি উপহার দেয়ায় তাকে ধন্যবাদ। আমি সত্, সাহসী মহাসচিব চাই।
মোঃ রকীব উদ্দিন, চাকরিজীবী, হাতিরপুল, ঢাকা
বিএনপির ঐক্য ধরে রাখাই সবচেয়ে জরুরি ব্যাপার। দেশের কল্যাণেও এ ঐক্য জরুরি। জেলা কমিটি গঠনে যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তাতে দলের চেয়ে ব্যক্তি খায়েশেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এটার অবসান কামনা করছি।
আবদুল মান্নান পলাশ, চাকরিজীবী, পূর্বধলা, নেত্রকোনা : দলটির সক্রিয় ভূমিকা চাই। দলের মহাসচিব যিনিই হোন না কেন, তিনি যেন ইসলামী শিক্ষা ও জ্ঞান সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞানী হন এবং দেশ, জাতি ও ইসলামের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাতে দূরদর্শী ও বিচক্ষণ হন, মাঠকর্মীদের উজ্জীবিত করার যিনি যোগ্যতা রাখেন।
মোঃ সালাউদ্দিন রুবেল, চাকরিজীবী, গোপালপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী : সরকারের দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর গণআন্দোলন গড়ে তোলা উচিত। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে অভিনন্দন।
অধ্যক্ষ এটিএম আলীমুজ্জামান খান, জেবিসি কিন্ডারগার্টেন, নাটোর : কাউন্সিলের পর বিএনপির কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক অনেক। আমরা আশা করি, বিএনপি সংসদে যাক এবং জনগণের কথা বলুক। কথা বলতে না পারলে সংসদ বর্জন করুক। বিরোধী দল সঠিকভাবে ছায়া সরকারের ভূমিকা পালন করুক। সংসদ ও রাজপথে সঠিক ভূমিকা নিক।
মোঃ কবির হোসেন, ব্যবসায়ী, ইসলামপুর, ঢাকা : দলকে সুসংগঠিত করে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমে পড়া উচিত। কারণ এই সরকার কথা রাখেনি। আন্দোলনের নানা ইস্যু রয়েছে, যা কাজে লাগানো দরকার।
নজরুল ইসলাম বাবুল, ব্যবসায়ী, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা : প্রথমে বিএনপিকে সংসদে যাওয়া উচিত। সরকারের ভালো কাজে সহায়তা এবং দেশবিরোধী কাজে জনগণকে নিয়ে প্রতিবাদ-আন্দোলনে নামা দরকার। অতীতের ভুলের জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। দরকার এখন থেকে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়া।
মোঃ বেলাল হোসেন নাঈম, ব্যবসায়ী, সিদ্দিক বাজার, ঢাকা : বিএনপির প্রতি দেশবাসীর প্রত্যাশা অনেক। খালেদা জিয়াকে পুনরায় চেয়ারপার্সন নির্বাচিত করায় অভিনন্দন জানাচ্ছি। তারুণ্যের অহঙ্কার তারেক রহমানকে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আমার প্রত্যাশা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার উন্নয়নে বিএনপি কী কী পদক্ষেপ নেবে, তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা। টিপাইমুখ বাঁধের ক্ষতিকর দিকটি তুলে ধরা দরকার।
আতাউর রহমান জিন্না, ব্যবসায়ী, বালিপাড়া, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ : দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার মেধা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়ে পুরো বাংলাদেশকে অভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এগিয়ে নেবেন। আশা করছি, আগামীতে দল ক্ষমতায় আসবে। দেশবিরোধী সব চুক্তি ও কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার গণআন্দোলন প্রত্যাশা করছি। আগামীতে দলের ভেতর মীরজাফরের প্রেতাত্মা দেখতে চাই না।
মাকসুদ আহমেদ মাসুদ, চাকরিজীবী, গোপালপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী : যোগ্য মহাসচিব চাই। সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে হবে।
দেলোয়ার হোসেন, ব্যবসায়ী, আক্কেলপুর, জয়পুরহাট : সংস্কারপন্থীরা যাতে দলে কোনো মতে জায়গা না পায়, এটাই বিএনপির নেতৃত্বের কাছে প্রত্যাশা। দল এগিয়ে যাক, এটাই কামনা করি।
কাউসার আহমেদ, ব্যবসায়ী, ঢাকা রোড, যশোর : গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দল পরিচালিত হবে এটাই প্রত্যাশা করছি। দলকে এগিয়ে নিতে কমিটিগুলোর নেতাদের সঙ্গে কর্মীদের পরিচিতির ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ কমিটিতে অনেক নেতা রয়েছেন যাদের সঙ্গে কর্মী-সমর্থকদের যোগাযোগই নেই। গণসংযোগ না বাড়ালে দলের লাভ হবে না।
দেবাশীষ দাশ, ছাত্র, আটিয়াতলী, লক্ষ্মীপুর : বিএনপির কাছে আমার প্রত্যাশা—একুশ শতকের উপযোগী বাংলাদেশ উপহার দিক, যেখানে থাকবে না সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি। থাকবে মানব উন্নয়নের কর্মক্ষেত্র এবং সম্মানজনক জীবন ও জীবিকার নিশ্চয়তা।
মোঃ শোয়েব, ছাত্র, নাপিতখালী, কক্সবাজার : সফল কাউন্সিলের পর সরকারবিরোধী গণআন্দোলন জোরদার হবে—এটাই আমার প্রত্যাশা। দেশ বাঁচাতে গণআন্দোলন দরকার।
সাইফুদ্দিন চৌধুরী, চাকরিজীবী, চন্দনপুরা, চট্টগ্রাম : সরকারের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিএনপির অবস্থান আরও জোরালো করা দরকার। নির্বাচিত নেতাদের আরো স্মার্ট ও জ্ঞানে সমৃদ্ধ দেখতে চাই। আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে বিএনপি আরও গবেষণা করবে—এটা কামনা করছি।
এবিএম শামসুদ্দোহা, ছাত্র, চাঁদখালী, লক্ষ্মীপুর : বিএনপি যেন তার হারানো ইমেজ ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়। সেবার মানসিকতা নিয়ে বিএনপি এগিয়ে যাবে—এটাই কামনা করছি। স্বাধীন বাংলাদেশ যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেটাই বিএনপির লক্ষ্য হওয়া উচিত।
কাজী আবু মোহাম্মদ খালেদ নিজাম, শিক্ষক, মরিয়মনগর, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম : কাউন্সিলের পর বিএনপির কাছে জনগণের প্রত্যাশা বেড়ে গেছে। আমি মনে করি, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে দল উজ্জীবিত করে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সরকারের অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।
কামরুজ্জামান চৌধুরী, ছাত্র, সিলেট উপশহর, সিলেট : বিএনপি আবারও উজ্জীবিত হবে এবং দেশবিরোধী যেসব চুক্তি হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে আন্দোলনে যাবে এবং সিলেট বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দূরীকরণে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
মোঃ আইয়ুব নবী, ছাত্র, পশ্চিম চরদরবেশ, সোনাগাজী, ফেনী : সফল কাউন্সিলের জন্য দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে অভিনন্দন। তারেক রহমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় তাকেও অভিনন্দন জানাচ্ছি। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন দলের মহাসচিব হোন—এটাই আমার প্রত্যাশা।
মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিক, ব্যবসায়ী, গাজীর ঘাট, শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ : সফল কাউন্সিলের জন্য তৃণমূলের নেতাকর্মীরা খুবই খুশি। দলকে সংগঠিত করে সংসদের ভেতরে ও বাইরে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সরকারের ভালো কাজে সহায়তা দিতে হবে। তবে দেশবিরোধী কাজে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
হাসান সাঈদ, রিপোর্টার, সাপ্তাহিক এখন : ওয়ান-ইলেভেনের পর থেকে দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির কিছু সাংগঠনিক দুর্বলতা কেবল ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকারকে অগণতান্ত্রিক আর স্বৈরাচারী করে তুলছে না, এ দুর্বলতার সঙ্গে রাষ্ট্রের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সরকারের রাষ্ট্রবিরোধী, গণবিরোধী কর্মকাণ্ডের জোরালো প্রতিবাদ করে রাষ্ট্র, সংবিধান, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বিএনপি। নেতাদের কাছে প্রত্যাশা হচ্ছে—ঢাকার প্রেসক্লাবের এসি রুম আর টিভি চ্যানেলের টক শো অনুষ্ঠান ছেড়ে তারা জনগণের কাছে যাবেন।
সিকদার মোঃ ইকবাল হোসেন, রাজনীতিবিদ, জাজিরা, শরীয়তপুর : নতুন নেতৃত্বে বিএনপি আরও শক্তিশালী ও সুদৃঢ় হবে এবং আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন সূচিত হবে। টিপাইমুখ বাঁধ, করিডোর ও শিল্পখাত ধ্বংসের চক্রান্ত বিএনপি রুখে দিতে পারবে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করায় দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানাই।
শফিকুর ইসলাম, ব্যবসায়ী, মানিকছড়ি, খাগড়াছড়ি
কাউন্সিলের পর যারা নীতি-নির্ধারক কমিটির সদস্য হয়েছে তাদের কাছে আমার প্রত্যাশা, সারাদেশে অবহেলিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে দলকে এগিয়ে নেবেন। বর্তমান সরকারের নির্যাতন থেকে নেতাকর্মীদের রক্ষা করার পদক্ষেপ নেবেন।
জহিরুল ইসলাম, ছাত্র, ফুলবাড়িয়া, উত্তরা, ঢাকা : সফল কাউন্সিলের কারণে বিএনপি এখন দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড রুখতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবে—এ প্রত্যাশা করছি। কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড রুখতে হবে।
আবদুল কাইয়ুম শাহাদাত, চাকরিজীবী, নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা : দেশের যেসব এলাকায় বিএনপিতে ফাটল রয়েছে, তা সফলভাবে নিষ্পত্তি করবে বর্তমান নেতৃত্ব—এটাই কামনা করছি। দলকে দ্বিগুণ শক্তিশালী করার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এটাই চাইছি।
নূর মোহাম্মদ খোকা, ছাত্র, ঢাকা কলেজ, ঢাকা : বিএনপির কাছে প্রত্যাশা করি, তারা যেন টিপাইমুখ বাঁধ, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, এশিয়ান হাইওয়ের নামে ভারতকে করিডোর প্রদান, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০০৯ ইত্যাদি ইস্যুতে রাজপথে সোচ্চার থাকে। পাশাপাশি বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে যেন বাংলাদেশের নানামতের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিতকরণে স্বৈরাচারী আ’লীগ সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।
মোঃ শাহাবুদ্দিন, চাকরিজীবী, বাকলিয়া, চট্টগ্রাম : দলের মতবিরোধ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়ামী স্বৈরাচার রুখতে হবে। দেশরক্ষার আন্দোলন জোরদার করতে হবে। সফল কাউন্সিল উপহার দেয়ার জন্য বিএনপি নেতৃত্বকে ধন্যবাদ।
আবুবকর চৌধুরী, চিকিত্সক, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম : সফল কাউন্সিল বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করবে। আওয়ামী সরকারের নগ্ন দলীয়করণ রুখতে বিএনপি কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
কে এম মঞ্জুরুল হক জাহেদ, সাংবাদিক, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম : কাউন্সিল করলেই হবে না, তৃণমূল পর্যায় থেকে কমিটিগুলোকেও শক্তিশালী করতে হবে। দলীয় মতবিরোধ দূর করতে হবে। উড়ে এসে জুড়ে বসা নেতাদের সরাতে না পারলে বিএনপি শক্তিশালী হবে না। জাতীয় কাউন্সিল সফল হলেও তৃণমূল পর্যায়ের কাউন্সিল যে সফল হয়নি, তা মাথায় রাখতে হবে। তৃণমূল থেকে নেতা সৃষ্টি করা না গেলে দল শক্তিশালী হবে না।
জমিরউদ্দিন আহমদ, ইউপি সদস্য, কাঁকাড়া, চকরিয়া, কক্সবাজার : বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রিমান্ড জীবনের মর্মস্পর্শী ঘটনাগুলো গ্রামে-গঞ্জে প্রচারের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি দেশবিরোধী চুক্তি রুখতে আন্দোলনে নামতে হবে।
তাইন রিজভী, চাকরিপ্রার্থী, সখিনাবাস, কুষ্টিয়া : সুশাসনের সঙ্কট আইনি সঙ্কট নয়, এটা রাজনৈতিক সঙ্কট। প্রতিহিংসা টিকে থাকলে রাজনীতিতে দুষ্টের আধিপত্য বাড়বে। নানান মত-পথের প্রতিযোগিতার লক্ষ্য এক, সেটা হচ্ছে গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে দেশের অগ্রগতিকে উন্নততর করা। কাউন্সিল-পরবর্তী বিএনপি ও সব পর্যায়ের নাগরিক শক্তি দেশের মুখ্য উন্নয়ন সহযোগীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তত্পর হোক—এটা প্রত্যাশা করি।
নজরুল ইসলাম কবির, ব্যবসায়ী, গুলশান, ঢাকা : বিএনপির কাছে দেশের কোটি মানুষের প্রত্যাশা হচ্ছে গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে সংগ্রাম করবে। জাতীয় ইস্যুগুলোতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সোচ্চার থাকবে। বিএনপি শুধু ঘুরে দাঁড়ায়নি, ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে।
আবদুল আজিজ, ইমামতি, সাতবাড়িয়া, সোনাগাজী, ফেনী : দলীয় কোন্দল যাতে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে নতুন নেতৃত্ব সে ব্যাপারে সজাগ থাকবেন। পাশাপাশি দেশ পরিচালনায় যোগ্য নেতা তৈরির পদক্ষেপ নিতে হবে।
জয়নুল আবেদীন তুহীন, শিক্ষক, বগুড়া : দেশ ও বিএনপির বিরুদ্ধে যে পরিকল্পিত অপপ্রচার চলছে, তার যোগ্য জবাব দিতে হবে। সাংগঠনিক সফর জোরদার করে দলকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। দেশবিরোধী চুক্তি রোধে বিএনপিকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে। সদস্য সংগ্রহ অভিযান আবার চালু করতে হবে। জাতীয়তাবাদী বুদ্ধিজীবীদের লেখালেখির ব্যাপারে আরও তত্পর হতে উত্সাহ দিতে হবে। সাংস্কৃতিক কর্মী বাড়াতে পরিকল্পনা নিতে হবে এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক উদ্দীপনার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাগুলো প্রত্যাহারের ব্যবস্থা নিতে হবে।
তপন দাশ, ছাত্র, বড়লেখা, মৌলভীবাজার : জনগণের স্বার্থে জাতীয় সংসদে যোগ দিতে হবে। বিএনপির কাছে এটাই আমার প্রত্যাশা।
মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম খান, ছাত্র, জেলা পরিষদ মোড়, লালমনিরহাট : আসন্ন সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়ে সংসদের ভেতরে ও বাইরে দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রয়োজনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে টিপাইমুখ ইস্যু, করিডোর ইস্যুসহ সরকারের দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপসহীন দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।
মোঃ শওকত আলম, ব্যবসায়ী, পলাশবাড়ী, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা : ভেদাভেদ ভুলে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হবে। গত নির্বাচনে ডিজিটালের ধুয়া তুলে ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ আবার বাকশাল কায়েমের স্বপ্ন দেখছে। ওদের রুখে দাঁড়াতে হবে।
নাসির উদ্দিন মোল্লা, ব্যবসায়ী, জাজিরা, শরীয়তপুর : দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ। বিএনপি যাতে আগামীতে আরও শক্তিশালী হয়, সে ব্যাপারে বর্তমান কমিটি কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এটাই প্রত্যাশা করছি।
মোহাম্মদ মাসুম, ছাত্র, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার : দলে এমন মহাসচিব চাই, যিনি তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার পাশাপাশি দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড রুখতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবেন। বৈঠকখানার মহাসচিব নন, মাঠের মহাসচিব চাই।
মাহফুজুর রহমান, ছাত্র, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা : সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে দেশবিরোধী যাবতীয় কর্মকাণ্ড রুখতে বিএনপি সব সময় সক্রিয় থাকবে, বিএনপির নতুন নেতৃত্বের কাছে আমার প্রত্যশা এটাই।
এমইএ ফার
অনুস্মৃতি : জিয়াউদ্দিন সাইমুম, মাহাবুবুর রহমান ও আসাদুজ্জামান সাগর
মোবারক হোসেন মিলন, চাকরিজীবী, এরশাদনগর, টঙ্গী : দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ। তারেক রহমানকে ধন্যবাদ। কাজটি খুব একটা খারাপ হয়নি। খোন্দকার দেলোয়ারকে সম্মানের সঙ্গে বিদায় দেয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। দুঃসময়ে তিনি দলের হাল ধরেছিলেন।
জুনায়েদ মহসিন, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা : তারেক রহমান আরও উপরে ওঠুন। যদি তিনি অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেন, তাহলে তিনি দলের জন্য বড় মাপের সম্পদ হবেন। তার ওপরই দেশ ও দলের ভবিষ্যত্ নির্ভর করবে অনেকখানি।
সাজ্জাদুর রহমান, ছাত্রলীগ সদস্য, বসুন্ধরা কলোনি, নোয়াখালী : বিএনপির কাছে প্রত্যাশা—ক্ষমতায় গেলে তারা যেন দুর্নীতিমুক্ত করে দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে যায়।
মোঃ জাবেদ আনসারী, চট্টগ্রাম মহানগর, যুবদল : বিএনপির কাছে দেশবাসীর পাশাপাশি আমারও চাওয়া আছে। মহামিলনমেলা নামে পরিচিত পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিল দেশের মাইলস্টোন। বিএনপি গণতান্ত্রিক পথে এগুবে এবং তৃণমূল থেকে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করবে। ধন্যবাদ জানাচ্ছি খালেদা জিয়াকে স্থায়ী কমিটিতে নতুন মুখ আনার জন্য।
ফখরুল ইসলাম, যুবদল নেতা, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ : দেশনেত্রী খালেদা জিয়া তৃণমূল নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে দল এগিয়ে নিয়ে যাবেন। স্বচ্ছ ও যোগ্য কমিটি উপহার দেয়ায় তাকে ধন্যবাদ। আমি সত্, সাহসী মহাসচিব চাই।
মোঃ রকীব উদ্দিন, চাকরিজীবী, হাতিরপুল, ঢাকা
বিএনপির ঐক্য ধরে রাখাই সবচেয়ে জরুরি ব্যাপার। দেশের কল্যাণেও এ ঐক্য জরুরি। জেলা কমিটি গঠনে যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তাতে দলের চেয়ে ব্যক্তি খায়েশেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এটার অবসান কামনা করছি।
আবদুল মান্নান পলাশ, চাকরিজীবী, পূর্বধলা, নেত্রকোনা : দলটির সক্রিয় ভূমিকা চাই। দলের মহাসচিব যিনিই হোন না কেন, তিনি যেন ইসলামী শিক্ষা ও জ্ঞান সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞানী হন এবং দেশ, জাতি ও ইসলামের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাতে দূরদর্শী ও বিচক্ষণ হন, মাঠকর্মীদের উজ্জীবিত করার যিনি যোগ্যতা রাখেন।
মোঃ সালাউদ্দিন রুবেল, চাকরিজীবী, গোপালপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী : সরকারের দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর গণআন্দোলন গড়ে তোলা উচিত। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে অভিনন্দন।
অধ্যক্ষ এটিএম আলীমুজ্জামান খান, জেবিসি কিন্ডারগার্টেন, নাটোর : কাউন্সিলের পর বিএনপির কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক অনেক। আমরা আশা করি, বিএনপি সংসদে যাক এবং জনগণের কথা বলুক। কথা বলতে না পারলে সংসদ বর্জন করুক। বিরোধী দল সঠিকভাবে ছায়া সরকারের ভূমিকা পালন করুক। সংসদ ও রাজপথে সঠিক ভূমিকা নিক।
মোঃ কবির হোসেন, ব্যবসায়ী, ইসলামপুর, ঢাকা : দলকে সুসংগঠিত করে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমে পড়া উচিত। কারণ এই সরকার কথা রাখেনি। আন্দোলনের নানা ইস্যু রয়েছে, যা কাজে লাগানো দরকার।
নজরুল ইসলাম বাবুল, ব্যবসায়ী, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা : প্রথমে বিএনপিকে সংসদে যাওয়া উচিত। সরকারের ভালো কাজে সহায়তা এবং দেশবিরোধী কাজে জনগণকে নিয়ে প্রতিবাদ-আন্দোলনে নামা দরকার। অতীতের ভুলের জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। দরকার এখন থেকে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়া।
মোঃ বেলাল হোসেন নাঈম, ব্যবসায়ী, সিদ্দিক বাজার, ঢাকা : বিএনপির প্রতি দেশবাসীর প্রত্যাশা অনেক। খালেদা জিয়াকে পুনরায় চেয়ারপার্সন নির্বাচিত করায় অভিনন্দন জানাচ্ছি। তারুণ্যের অহঙ্কার তারেক রহমানকে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আমার প্রত্যাশা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার উন্নয়নে বিএনপি কী কী পদক্ষেপ নেবে, তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা। টিপাইমুখ বাঁধের ক্ষতিকর দিকটি তুলে ধরা দরকার।
আতাউর রহমান জিন্না, ব্যবসায়ী, বালিপাড়া, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ : দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার মেধা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়ে পুরো বাংলাদেশকে অভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এগিয়ে নেবেন। আশা করছি, আগামীতে দল ক্ষমতায় আসবে। দেশবিরোধী সব চুক্তি ও কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার গণআন্দোলন প্রত্যাশা করছি। আগামীতে দলের ভেতর মীরজাফরের প্রেতাত্মা দেখতে চাই না।
মাকসুদ আহমেদ মাসুদ, চাকরিজীবী, গোপালপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী : যোগ্য মহাসচিব চাই। সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে হবে।
দেলোয়ার হোসেন, ব্যবসায়ী, আক্কেলপুর, জয়পুরহাট : সংস্কারপন্থীরা যাতে দলে কোনো মতে জায়গা না পায়, এটাই বিএনপির নেতৃত্বের কাছে প্রত্যাশা। দল এগিয়ে যাক, এটাই কামনা করি।
কাউসার আহমেদ, ব্যবসায়ী, ঢাকা রোড, যশোর : গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দল পরিচালিত হবে এটাই প্রত্যাশা করছি। দলকে এগিয়ে নিতে কমিটিগুলোর নেতাদের সঙ্গে কর্মীদের পরিচিতির ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ কমিটিতে অনেক নেতা রয়েছেন যাদের সঙ্গে কর্মী-সমর্থকদের যোগাযোগই নেই। গণসংযোগ না বাড়ালে দলের লাভ হবে না।
দেবাশীষ দাশ, ছাত্র, আটিয়াতলী, লক্ষ্মীপুর : বিএনপির কাছে আমার প্রত্যাশা—একুশ শতকের উপযোগী বাংলাদেশ উপহার দিক, যেখানে থাকবে না সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি। থাকবে মানব উন্নয়নের কর্মক্ষেত্র এবং সম্মানজনক জীবন ও জীবিকার নিশ্চয়তা।
মোঃ শোয়েব, ছাত্র, নাপিতখালী, কক্সবাজার : সফল কাউন্সিলের পর সরকারবিরোধী গণআন্দোলন জোরদার হবে—এটাই আমার প্রত্যাশা। দেশ বাঁচাতে গণআন্দোলন দরকার।
সাইফুদ্দিন চৌধুরী, চাকরিজীবী, চন্দনপুরা, চট্টগ্রাম : সরকারের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিএনপির অবস্থান আরও জোরালো করা দরকার। নির্বাচিত নেতাদের আরো স্মার্ট ও জ্ঞানে সমৃদ্ধ দেখতে চাই। আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে বিএনপি আরও গবেষণা করবে—এটা কামনা করছি।
এবিএম শামসুদ্দোহা, ছাত্র, চাঁদখালী, লক্ষ্মীপুর : বিএনপি যেন তার হারানো ইমেজ ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়। সেবার মানসিকতা নিয়ে বিএনপি এগিয়ে যাবে—এটাই কামনা করছি। স্বাধীন বাংলাদেশ যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেটাই বিএনপির লক্ষ্য হওয়া উচিত।
কাজী আবু মোহাম্মদ খালেদ নিজাম, শিক্ষক, মরিয়মনগর, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম : কাউন্সিলের পর বিএনপির কাছে জনগণের প্রত্যাশা বেড়ে গেছে। আমি মনে করি, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে দল উজ্জীবিত করে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সরকারের অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।
কামরুজ্জামান চৌধুরী, ছাত্র, সিলেট উপশহর, সিলেট : বিএনপি আবারও উজ্জীবিত হবে এবং দেশবিরোধী যেসব চুক্তি হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে আন্দোলনে যাবে এবং সিলেট বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দূরীকরণে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
মোঃ আইয়ুব নবী, ছাত্র, পশ্চিম চরদরবেশ, সোনাগাজী, ফেনী : সফল কাউন্সিলের জন্য দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে অভিনন্দন। তারেক রহমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় তাকেও অভিনন্দন জানাচ্ছি। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন দলের মহাসচিব হোন—এটাই আমার প্রত্যাশা।
মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিক, ব্যবসায়ী, গাজীর ঘাট, শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ : সফল কাউন্সিলের জন্য তৃণমূলের নেতাকর্মীরা খুবই খুশি। দলকে সংগঠিত করে সংসদের ভেতরে ও বাইরে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সরকারের ভালো কাজে সহায়তা দিতে হবে। তবে দেশবিরোধী কাজে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
হাসান সাঈদ, রিপোর্টার, সাপ্তাহিক এখন : ওয়ান-ইলেভেনের পর থেকে দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির কিছু সাংগঠনিক দুর্বলতা কেবল ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকারকে অগণতান্ত্রিক আর স্বৈরাচারী করে তুলছে না, এ দুর্বলতার সঙ্গে রাষ্ট্রের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সরকারের রাষ্ট্রবিরোধী, গণবিরোধী কর্মকাণ্ডের জোরালো প্রতিবাদ করে রাষ্ট্র, সংবিধান, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বিএনপি। নেতাদের কাছে প্রত্যাশা হচ্ছে—ঢাকার প্রেসক্লাবের এসি রুম আর টিভি চ্যানেলের টক শো অনুষ্ঠান ছেড়ে তারা জনগণের কাছে যাবেন।
সিকদার মোঃ ইকবাল হোসেন, রাজনীতিবিদ, জাজিরা, শরীয়তপুর : নতুন নেতৃত্বে বিএনপি আরও শক্তিশালী ও সুদৃঢ় হবে এবং আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন সূচিত হবে। টিপাইমুখ বাঁধ, করিডোর ও শিল্পখাত ধ্বংসের চক্রান্ত বিএনপি রুখে দিতে পারবে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করায় দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানাই।
শফিকুর ইসলাম, ব্যবসায়ী, মানিকছড়ি, খাগড়াছড়ি
কাউন্সিলের পর যারা নীতি-নির্ধারক কমিটির সদস্য হয়েছে তাদের কাছে আমার প্রত্যাশা, সারাদেশে অবহেলিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে দলকে এগিয়ে নেবেন। বর্তমান সরকারের নির্যাতন থেকে নেতাকর্মীদের রক্ষা করার পদক্ষেপ নেবেন।
জহিরুল ইসলাম, ছাত্র, ফুলবাড়িয়া, উত্তরা, ঢাকা : সফল কাউন্সিলের কারণে বিএনপি এখন দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড রুখতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবে—এ প্রত্যাশা করছি। কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড রুখতে হবে।
আবদুল কাইয়ুম শাহাদাত, চাকরিজীবী, নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা : দেশের যেসব এলাকায় বিএনপিতে ফাটল রয়েছে, তা সফলভাবে নিষ্পত্তি করবে বর্তমান নেতৃত্ব—এটাই কামনা করছি। দলকে দ্বিগুণ শক্তিশালী করার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এটাই চাইছি।
নূর মোহাম্মদ খোকা, ছাত্র, ঢাকা কলেজ, ঢাকা : বিএনপির কাছে প্রত্যাশা করি, তারা যেন টিপাইমুখ বাঁধ, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, এশিয়ান হাইওয়ের নামে ভারতকে করিডোর প্রদান, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০০৯ ইত্যাদি ইস্যুতে রাজপথে সোচ্চার থাকে। পাশাপাশি বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে যেন বাংলাদেশের নানামতের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিতকরণে স্বৈরাচারী আ’লীগ সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।
মোঃ শাহাবুদ্দিন, চাকরিজীবী, বাকলিয়া, চট্টগ্রাম : দলের মতবিরোধ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়ামী স্বৈরাচার রুখতে হবে। দেশরক্ষার আন্দোলন জোরদার করতে হবে। সফল কাউন্সিল উপহার দেয়ার জন্য বিএনপি নেতৃত্বকে ধন্যবাদ।
আবুবকর চৌধুরী, চিকিত্সক, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম : সফল কাউন্সিল বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করবে। আওয়ামী সরকারের নগ্ন দলীয়করণ রুখতে বিএনপি কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
কে এম মঞ্জুরুল হক জাহেদ, সাংবাদিক, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম : কাউন্সিল করলেই হবে না, তৃণমূল পর্যায় থেকে কমিটিগুলোকেও শক্তিশালী করতে হবে। দলীয় মতবিরোধ দূর করতে হবে। উড়ে এসে জুড়ে বসা নেতাদের সরাতে না পারলে বিএনপি শক্তিশালী হবে না। জাতীয় কাউন্সিল সফল হলেও তৃণমূল পর্যায়ের কাউন্সিল যে সফল হয়নি, তা মাথায় রাখতে হবে। তৃণমূল থেকে নেতা সৃষ্টি করা না গেলে দল শক্তিশালী হবে না।
জমিরউদ্দিন আহমদ, ইউপি সদস্য, কাঁকাড়া, চকরিয়া, কক্সবাজার : বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রিমান্ড জীবনের মর্মস্পর্শী ঘটনাগুলো গ্রামে-গঞ্জে প্রচারের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি দেশবিরোধী চুক্তি রুখতে আন্দোলনে নামতে হবে।
তাইন রিজভী, চাকরিপ্রার্থী, সখিনাবাস, কুষ্টিয়া : সুশাসনের সঙ্কট আইনি সঙ্কট নয়, এটা রাজনৈতিক সঙ্কট। প্রতিহিংসা টিকে থাকলে রাজনীতিতে দুষ্টের আধিপত্য বাড়বে। নানান মত-পথের প্রতিযোগিতার লক্ষ্য এক, সেটা হচ্ছে গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে দেশের অগ্রগতিকে উন্নততর করা। কাউন্সিল-পরবর্তী বিএনপি ও সব পর্যায়ের নাগরিক শক্তি দেশের মুখ্য উন্নয়ন সহযোগীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তত্পর হোক—এটা প্রত্যাশা করি।
নজরুল ইসলাম কবির, ব্যবসায়ী, গুলশান, ঢাকা : বিএনপির কাছে দেশের কোটি মানুষের প্রত্যাশা হচ্ছে গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে সংগ্রাম করবে। জাতীয় ইস্যুগুলোতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সোচ্চার থাকবে। বিএনপি শুধু ঘুরে দাঁড়ায়নি, ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে।
আবদুল আজিজ, ইমামতি, সাতবাড়িয়া, সোনাগাজী, ফেনী : দলীয় কোন্দল যাতে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে নতুন নেতৃত্ব সে ব্যাপারে সজাগ থাকবেন। পাশাপাশি দেশ পরিচালনায় যোগ্য নেতা তৈরির পদক্ষেপ নিতে হবে।
জয়নুল আবেদীন তুহীন, শিক্ষক, বগুড়া : দেশ ও বিএনপির বিরুদ্ধে যে পরিকল্পিত অপপ্রচার চলছে, তার যোগ্য জবাব দিতে হবে। সাংগঠনিক সফর জোরদার করে দলকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। দেশবিরোধী চুক্তি রোধে বিএনপিকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে। সদস্য সংগ্রহ অভিযান আবার চালু করতে হবে। জাতীয়তাবাদী বুদ্ধিজীবীদের লেখালেখির ব্যাপারে আরও তত্পর হতে উত্সাহ দিতে হবে। সাংস্কৃতিক কর্মী বাড়াতে পরিকল্পনা নিতে হবে এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক উদ্দীপনার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাগুলো প্রত্যাহারের ব্যবস্থা নিতে হবে।
তপন দাশ, ছাত্র, বড়লেখা, মৌলভীবাজার : জনগণের স্বার্থে জাতীয় সংসদে যোগ দিতে হবে। বিএনপির কাছে এটাই আমার প্রত্যাশা।
মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম খান, ছাত্র, জেলা পরিষদ মোড়, লালমনিরহাট : আসন্ন সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়ে সংসদের ভেতরে ও বাইরে দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রয়োজনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে টিপাইমুখ ইস্যু, করিডোর ইস্যুসহ সরকারের দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপসহীন দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।
মোঃ শওকত আলম, ব্যবসায়ী, পলাশবাড়ী, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা : ভেদাভেদ ভুলে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হবে। গত নির্বাচনে ডিজিটালের ধুয়া তুলে ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ আবার বাকশাল কায়েমের স্বপ্ন দেখছে। ওদের রুখে দাঁড়াতে হবে।
নাসির উদ্দিন মোল্লা, ব্যবসায়ী, জাজিরা, শরীয়তপুর : দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ। বিএনপি যাতে আগামীতে আরও শক্তিশালী হয়, সে ব্যাপারে বর্তমান কমিটি কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এটাই প্রত্যাশা করছি।
মোহাম্মদ মাসুম, ছাত্র, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার : দলে এমন মহাসচিব চাই, যিনি তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার পাশাপাশি দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড রুখতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবেন। বৈঠকখানার মহাসচিব নন, মাঠের মহাসচিব চাই।
মাহফুজুর রহমান, ছাত্র, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা : সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে দেশবিরোধী যাবতীয় কর্মকাণ্ড রুখতে বিএনপি সব সময় সক্রিয় থাকবে, বিএনপির নতুন নেতৃত্বের কাছে আমার প্রত্যশা এটাই।
এমইএ ফার


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


