সেমিনারে ব্যারিস্টার রফিক : সরকার ও কমিশনই মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে
স্টাফ রিপোর্টার
ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলবদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় মানবাধিকার লংঘিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। তিনি বলেন, ১/১১’র পর যারা অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে সরকার এবং মানবাধিকার কমিশন নিজেরাই মানবাধিকার লংঘন করেছে।
গতকাল বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা আয়োজিত ‘মানবাধিকার রক্ষায় নাগরিকদের কাছে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা আবশ্যক’ শীর্ষক এক সেমিনারে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক এসব কথা বলেন। সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংস্থার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আসাফ্উদ্দৌলাহর সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত মাহমুদ, সাবেক রাষ্ট্রদূত হেদায়েতুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, অধিকারের পরিচালক রীনা রায়, সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব অ্যাডভোকেট সিগমা হুদা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, সংবিধানই হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মূলমন্ত্র। তাই রাষ্ট্র ও সরকারের উচিত, দেশের সংবিধান অনুযায়ী অবিলম্বে নাগরিকের অধিকার বাস্তবায়ন করা। বক্তারা আরও বলেন, নাগরিকের সমস্যা রাজনৈতিক বিবেচনায় না দেখে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতার দৃষ্টিতে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
ব্যারিষ্টার রফিক-উল হক বলেন, যারা ১/১১-এর পর নির্যাতন চালিয়েছে, মানবাধিকার লংঘন করেছে, তারা এখন দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তিনি ক্রসফায়ারের মতো বিচার বর্হিভূত হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে ব্যবস্থা না নিতে পারায় মানবাধিকার কমিশনের কড়া সমালোচনা করেন। আসাফ্উদ্দৌলাহ বলেন, ৫৪ ধারা বাতিলের সত্সাহস কোনো সরকারই দেখাতে পারেনি। কারণ তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিজেদের হাতিয়ারে পরিণত করে রাখে। বছরের পর বছর গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সরকার পরিচালনা করে আসছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মোহাম্মদ আসাফ্উদ্দৌলাহ্ বলেন, রাজনীতি ও সরকার চালায় বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থা। রাষ্ট্র ও সরকারের উচিত, দেশের সংবিধান অনুযায়ী অবিলম্বে নাগরিকের অধিকার বাস্তবায়ন করা।
শওকত মাহমুদ বলেন, নাগরিকের বাসস্থান অধিকার সুখ সন্ধানের অধিকার। জন্মলগ্ন থেকেই সব মানুষ সমানভাবে এই অধিকার নিয়ে জন্মায়। এ অধিকার বাস্তবায়নে বিচার বিভাগসহ গণমাধ্যমকে আরও সচেষ্ট হতে হবে।
ডঃ আসিফ নজরুল বলেন, মানবাধিকার বাস্তবায়নে জনগণের কাছে রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা সোচ্চার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। কারণ বিচার বিভাগই নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার অন্যতম মাধ্যম। তিনি আরও বলেন, আদালতের মাধ্যমে সমাজের উচ্চবিত্তদের মানবাধিকার বাস্তবায়িত হলেও নিম্নবিত্তদের ক্ষেত্রে তা হয় না। মূল প্রবন্ধে অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ না করে কোনো উচ্ছেদ না করা এবং নাগরিকের বাসস্থান সমস্যা রাজনৈতিক বিবেচনায় না দেখে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতার দৃষ্টিতে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
গতকাল বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা আয়োজিত ‘মানবাধিকার রক্ষায় নাগরিকদের কাছে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা আবশ্যক’ শীর্ষক এক সেমিনারে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক এসব কথা বলেন। সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংস্থার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আসাফ্উদ্দৌলাহর সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত মাহমুদ, সাবেক রাষ্ট্রদূত হেদায়েতুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, অধিকারের পরিচালক রীনা রায়, সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব অ্যাডভোকেট সিগমা হুদা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, সংবিধানই হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মূলমন্ত্র। তাই রাষ্ট্র ও সরকারের উচিত, দেশের সংবিধান অনুযায়ী অবিলম্বে নাগরিকের অধিকার বাস্তবায়ন করা। বক্তারা আরও বলেন, নাগরিকের সমস্যা রাজনৈতিক বিবেচনায় না দেখে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতার দৃষ্টিতে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
ব্যারিষ্টার রফিক-উল হক বলেন, যারা ১/১১-এর পর নির্যাতন চালিয়েছে, মানবাধিকার লংঘন করেছে, তারা এখন দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তিনি ক্রসফায়ারের মতো বিচার বর্হিভূত হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে ব্যবস্থা না নিতে পারায় মানবাধিকার কমিশনের কড়া সমালোচনা করেন। আসাফ্উদ্দৌলাহ বলেন, ৫৪ ধারা বাতিলের সত্সাহস কোনো সরকারই দেখাতে পারেনি। কারণ তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিজেদের হাতিয়ারে পরিণত করে রাখে। বছরের পর বছর গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সরকার পরিচালনা করে আসছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মোহাম্মদ আসাফ্উদ্দৌলাহ্ বলেন, রাজনীতি ও সরকার চালায় বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থা। রাষ্ট্র ও সরকারের উচিত, দেশের সংবিধান অনুযায়ী অবিলম্বে নাগরিকের অধিকার বাস্তবায়ন করা।
শওকত মাহমুদ বলেন, নাগরিকের বাসস্থান অধিকার সুখ সন্ধানের অধিকার। জন্মলগ্ন থেকেই সব মানুষ সমানভাবে এই অধিকার নিয়ে জন্মায়। এ অধিকার বাস্তবায়নে বিচার বিভাগসহ গণমাধ্যমকে আরও সচেষ্ট হতে হবে।
ডঃ আসিফ নজরুল বলেন, মানবাধিকার বাস্তবায়নে জনগণের কাছে রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা সোচ্চার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। কারণ বিচার বিভাগই নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার অন্যতম মাধ্যম। তিনি আরও বলেন, আদালতের মাধ্যমে সমাজের উচ্চবিত্তদের মানবাধিকার বাস্তবায়িত হলেও নিম্নবিত্তদের ক্ষেত্রে তা হয় না। মূল প্রবন্ধে অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ না করে কোনো উচ্ছেদ না করা এবং নাগরিকের বাসস্থান সমস্যা রাজনৈতিক বিবেচনায় না দেখে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতার দৃষ্টিতে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


