শীতে কাঁপছে উত্তর জনপদ : চরম দুর্ভোগ নিম্ন আয়ের মানুষের
হাসান-উল-আজিজ, লালমনিরহাট
গত তিন দিনের অব্যাহত ঘন কুয়াশা এবং হাড় কাঁপানো শীতে কাহিল হয়ে পড়েছে উত্তর জনপদ। হিমেল বাতাসে নদীতীরবর্তী চরাঞ্চলের হাজার হাজার নিম্ন আয়ের মানুষ চরম দুঃখ-কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। সরকারিভাবে তেমন কোনো শীতবস্ত্র বিতরণের খবর পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা এ পর্যন্ত যে সামান্যসংখ্যক শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন অসহায় শীতার্ত মানুষ।
লালমনিরহাটে আবহাওয়া অফিস নেই। তবে একটি বেসরকারি সংস্থা গতকাল এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ১৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ না হওয়ায় উত্তরের জেলাগুলোর চরাঞ্চলের হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ চরম দুঃখ-কষ্টে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। ঘন কুয়াশার কারণে হাইওয়েতে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
এদিকে লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, ঘন কুয়াশার কারণে লালমনিরহাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ও ঢাকা থেকে লালমনিরহাটগামী আন্তঃনগরসহ সব ট্রেন ধীর গতিতে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলাচল করছে। ঘন কুয়াশার কারণে গতকাল ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা লালমনি এক্সপ্রেস প্রায় কয়েক ঘণ্টা দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছেছে। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় শীতকালীন সবজির আবাদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।
বিশেষ করে আলু ও গমক্ষেতে ছত্রাক রোগ দেখা দিয়েছে। এছাড়া এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে শীতজনিত নানা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। জ্বর, সর্দি-কাশির সঙ্গে কোল্ড ডায়রিয়া দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত নারী, শিশু ও বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শীতের তীব্রতায় বৃদ্ধরা নিদারুণ কষ্ট ভোগ করছেন।
বিশেষ করে ভারতের হিমালয় পর্বত এলাকায় দার্ির্জলিং জেলার সঙ্গে একীভূত বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী, দহগ্রাম আঙ্গরপোতাসহ ভারত সীমান্ত সংলগ্ন গ্রাম এবং তিস্তাপাড়ের মানুষজনের অবস্থা আরও কাহিল।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এ অঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষ তিস্তায় মাছ ধরে কিংবা পাথর-বালু উত্তোলন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু শীতের তীব্রতায় এরা কেউ নদীতে নামতে পারছেন না। এদের নেই তেমন কোনো শীতবস্ত্র। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানিয়েছেন এ অঞ্চলের অসহায় শীতার্ত মানুষ।
লালমনিরহাটে আবহাওয়া অফিস নেই। তবে একটি বেসরকারি সংস্থা গতকাল এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ১৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ না হওয়ায় উত্তরের জেলাগুলোর চরাঞ্চলের হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ চরম দুঃখ-কষ্টে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। ঘন কুয়াশার কারণে হাইওয়েতে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
এদিকে লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, ঘন কুয়াশার কারণে লালমনিরহাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ও ঢাকা থেকে লালমনিরহাটগামী আন্তঃনগরসহ সব ট্রেন ধীর গতিতে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলাচল করছে। ঘন কুয়াশার কারণে গতকাল ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা লালমনি এক্সপ্রেস প্রায় কয়েক ঘণ্টা দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছেছে। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় শীতকালীন সবজির আবাদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।
বিশেষ করে আলু ও গমক্ষেতে ছত্রাক রোগ দেখা দিয়েছে। এছাড়া এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে শীতজনিত নানা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। জ্বর, সর্দি-কাশির সঙ্গে কোল্ড ডায়রিয়া দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত নারী, শিশু ও বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শীতের তীব্রতায় বৃদ্ধরা নিদারুণ কষ্ট ভোগ করছেন।
বিশেষ করে ভারতের হিমালয় পর্বত এলাকায় দার্ির্জলিং জেলার সঙ্গে একীভূত বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী, দহগ্রাম আঙ্গরপোতাসহ ভারত সীমান্ত সংলগ্ন গ্রাম এবং তিস্তাপাড়ের মানুষজনের অবস্থা আরও কাহিল।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এ অঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষ তিস্তায় মাছ ধরে কিংবা পাথর-বালু উত্তোলন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু শীতের তীব্রতায় এরা কেউ নদীতে নামতে পারছেন না। এদের নেই তেমন কোনো শীতবস্ত্র। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানিয়েছেন এ অঞ্চলের অসহায় শীতার্ত মানুষ।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


