এবার মাঠের লড়াই
সাদিকুর রহমান সাকী
আর মাত্র কয়েক মাস পর শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে জমজমাট আসর বিশ্বকাপ ফুটবল। এ টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে এখন সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। বাছাইপর্বের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে চূড়ান্ত পর্বে খেলার জন্য প্রস্তুত দলগুলো। কে কার সঙ্গে খেলবে সেটাও ঠিক হয়ে গেছে। গত ৪ ডিসেম্বর জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঠিক করা হলো টুর্নামেন্টের গ্রুপিং ও ফিকশ্চার।
ডেথ গ্রুপে ব্রাজিল
১৯৫৮ এবং ১৯৭০ সালের পর গ্রুপ অব ডেথে আবারও ব্রাজিল! ২০১০ সালের বিশ্বকাপ ড্র অনুষ্ঠানে অন্যতম ফেভারিট পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল সবচেয়ে কঠিন ‘জি’ গ্রুপে তাদের সঙ্গে রয়েছে আইভরিকোস্ট, পর্তুগাল এবং উত্তর কোরিয়া। গ্রুপে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষদের মধ্যে দুটি দল শীর্ষ ১৬-তে। আইভরিকোস্ট ও পর্তুগাল এখন ফিফা র্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১৬-তে। গ্রুপ পর্বে দেখা যাবে কাকা বনাম ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো যুদ্ধ। দুই রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থের দ্বিমুখী লড়াইয়ে ভিন্নমাত্রা যোগ করতে পারেন চেলসি সুপারস্টার দিদিয়ের দ্রগবাও। এ সমীকরণে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হবে তিন তারকার একজনকে। দু’জনকেও বিদায় নিতে হতে পারে, যদি না ৪৪ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে আবারও চমকে দেয় উত্তর কোরিয়া। সঙ্গত কারণে সবচেয়ে কঠিনতম পরীক্ষা দিতে হচ্ছে কার্লোস দুঙ্গার ব্রাজিলকে। শুধু গ্রুপ পর্বেই সেলেকাওদের বিপদ শেষ নয়, দ্বিতীয় রাউন্ডে বিশ্বের এক নাম্বার দল স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ব্রাজিল কিংবা পর্তুগালের।
কিন্তু বিশ্লেষকরা ‘জি’ গ্রুপকে ‘গ্রুপ অব ডেথ’ হিসেবে রায় দিলেও তাতে একমত হতে পারেননি ব্রাজিলের কোচ কার্লোস দুঙ্গা।
কঠিন গ্রুপে আর্জেন্টিনা
ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনার গ্রুপটাও একেবারে সহজ নয়। বাছাই পর্বে কঠিন অবস্থা পার হয়ে চূড়ান্ত পর্বে উঠে আসা দিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনার বেশ কঠিন গ্রুপে। প্রথম রাউন্ডে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নাইজেরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ২০০৪ ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন গ্রিস। ফলে দ্বিতীয় পর্বে ওঠার জন্য ম্যারাডোনাকে বেশ কঠিন অবস্থার সামাল দিতে হবে। তা ছাড়া এবারের গ্রুপিংয়ের দিকে তাকিয়ে অভিশপ্ত ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপের কথা মনে পড়ে যেতে পারে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের। সে যাত্রায় গ্রুপ পর্বে নাইজেরিয়া, গ্রিসকে পেয়েছিল তারা। গ্রিস ও নাইজেরিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ের পর ডোপ পরীক্ষায় বসতে হয়েছিল ম্যারাডোনাকে। ডোপ টেস্ট উত্রাতে ব্যর্থ হলে বুলগেরিয়ার কাছে হেরে শেষ হয়ে যায় ম্যারাডোনাবিহীন আর্জেন্টিনার ব্যর্থ বিশ্বকাপ মিশন। টানা সাতবার বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া এশিয়ান প্রতিনিধি দক্ষিণ কোরিয়ার শক্তিমত্তাকেও খাটো করে দেখার কারও সুযোগ নেই।
সহজ গ্রুপে স্পেন
এর আগে কখনোই বিশ্বকাপ শিরোপা জেতা সম্ভব হয়নি স্পেনের। কিন্তু না জিতলে কী হবে, তাদের শক্তিমত্তা নিয়ে এবার তেমন কোনো সন্দেহ নেই। তাই তো আগামী বিশ্বকাপে সম্ভাব্য ফেভারিটদের মধ্যে রয়েছে ইউরোপের এই শক্তিধর দলটির নাম। পাশাপাশি এবারের ফেভারিট স্পেন রয়েছে অনেকটা সহজ গ্রুপে। ইউরো জয়ী স্পেন খেলবে ‘এইচ’ গ্রুপে। ‘এইচ’ গ্রুপে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী সুইজারল্যান্ড, চিলি ও হন্ডুরাস। ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেন এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও সামনের আসরে প্রথম পর্ব তারা সহজেই পার হতে পারবে বলে মনে হয়।
ভাগ্যবান ইংল্যান্ড
টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ভাগ্যবান দল বলা হচ্ছে ইংল্যান্ডকে। ইংলিশদের প্রথম রাউন্ডের বাধা পেরুতে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবেন তারা শক্তিমত্তায় অনেক পিছিয়ে। তাই বিশ্লেষকরা খেলার আগেই দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট দিয়ে দিচ্ছেন ইংল্যান্ডকে। আর দেয়াটাই স্বাভাবিক, কেননা এবারের আসরের অন্যতম ফেভারিট ইংল্যান্ড সি গ্রুপে লড়বে যুক্তরাষ্ট্র, আলজেরিয়া ও স্লোভেনিয়া। প্রতিপক্ষ হিসেবে এই তিন দলকে তেমন বেশি কঠিন ভাবার কারণ নেই।
‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা
স্বাগতিক দল হিসেবে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাছাই পর্বের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে চূড়ান্ত পর্বে আর সে সুযোগ নেই। কিন্তু খেলেই এবার নিজেদের প্রমাণ করতে চাচ্ছে স্বাগতিকরা। তবে গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষকে দেখে অঘটনের স্বপ্ন দেখার আশা ছাড়তেই পারে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। এবারের বিশ্বকাপে কঠিন গ্রুপেই পড়েছে তারা। ‘এ’ গ্রুপে বাফানাদের সঙ্গে রয়েছে ফ্রান্স, উরুগুয়ে ও মেক্সিকো। ফ্রান্স সাবেক চ্যাম্পিয়ন, সেই সঙ্গে তাদের খেলোয়াড়রা অনেক অভিজ্ঞ। উরুগুয়েও সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবং ফুটবল বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দলের একটি। পিছিয়ে নেই মেক্সিকো, দল হিসেবে তারা অত্যন্ত ভালো।
জার্মানির গ্রুপে আন্ডারডগ অস্ট্রেলিয়া
তিনবারের বিশ্বকাপজয়ী জার্মানি রয়েছে এবার ‘ডি’ গ্রুপে। এই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ আফ্রিকান শক্তি ঘানা ও সার্বিয়ার সঙ্গে রয়েছে এশিয়ান শক্তি অস্ট্রেলিয়া। তাই গ্রুপপর্বে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে হবে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে হলে এসব বাধা পেরিয়ে তার পরই যেতে হবে বিধায় কাউকে সহজ হিসেবে নিচ্ছে না জার্মানি।
‘এফ’ গ্রুপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইতালি
বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইতালিও অনেকটা সহজ গ্রুপে পড়েছে। দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে তাদের তেমন বেশি কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে না। ফলে পরবর্তী রাউন্ডে উঠার পথ অনেকটা মসৃণ বলা যায়। গ্রুপে ‘এফ’ এ তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে প্যারাগুয়ে, নিউজিল্যান্ড ও স্লোভাকিয়া। ‘ই’ গ্রুপে ফেভারিট হল্যান্ড
দু’বারের বিশ্বকাপ জয়ী নেদারল্যান্ডসের এবার কোনো উচ্চাশা নেই। বড়জোর দ্বিতীয় রাউন্ড পর্যন্ত খেলাই তাদের টার্গেট। আপাতত এ কাজটা তাদের অনেক সহজ হবে বলে মনে হচ্ছে। কারণ তারা পড়েছে ‘ই’ গ্রুপে। এই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ এশিয়ান শক্তি জাপান, ক্যামেরুন ও ডেনমার্ক। বাছাই পর্বে সব ম্যাচ জয়ী নেদারল্যান্ডসকে এদের সঙ্গে জয় পেতে তেমন বেগ পেতে হবে বলে মনে হয় না। তবে সবকিছুর পরও টুর্নামেন্টার নাম বিশ্বকাপ। এখানে যে কেউ অঘটন ঘটাতে পারে, সেটা হলে ভিন্ন। নতুবা দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে তাদের তেমন কঠিন হওয়ার কথা নয়।
ডেথ গ্রুপে ব্রাজিল
১৯৫৮ এবং ১৯৭০ সালের পর গ্রুপ অব ডেথে আবারও ব্রাজিল! ২০১০ সালের বিশ্বকাপ ড্র অনুষ্ঠানে অন্যতম ফেভারিট পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল সবচেয়ে কঠিন ‘জি’ গ্রুপে তাদের সঙ্গে রয়েছে আইভরিকোস্ট, পর্তুগাল এবং উত্তর কোরিয়া। গ্রুপে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষদের মধ্যে দুটি দল শীর্ষ ১৬-তে। আইভরিকোস্ট ও পর্তুগাল এখন ফিফা র্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১৬-তে। গ্রুপ পর্বে দেখা যাবে কাকা বনাম ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো যুদ্ধ। দুই রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থের দ্বিমুখী লড়াইয়ে ভিন্নমাত্রা যোগ করতে পারেন চেলসি সুপারস্টার দিদিয়ের দ্রগবাও। এ সমীকরণে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হবে তিন তারকার একজনকে। দু’জনকেও বিদায় নিতে হতে পারে, যদি না ৪৪ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে আবারও চমকে দেয় উত্তর কোরিয়া। সঙ্গত কারণে সবচেয়ে কঠিনতম পরীক্ষা দিতে হচ্ছে কার্লোস দুঙ্গার ব্রাজিলকে। শুধু গ্রুপ পর্বেই সেলেকাওদের বিপদ শেষ নয়, দ্বিতীয় রাউন্ডে বিশ্বের এক নাম্বার দল স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ব্রাজিল কিংবা পর্তুগালের।
কিন্তু বিশ্লেষকরা ‘জি’ গ্রুপকে ‘গ্রুপ অব ডেথ’ হিসেবে রায় দিলেও তাতে একমত হতে পারেননি ব্রাজিলের কোচ কার্লোস দুঙ্গা।
কঠিন গ্রুপে আর্জেন্টিনা
ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনার গ্রুপটাও একেবারে সহজ নয়। বাছাই পর্বে কঠিন অবস্থা পার হয়ে চূড়ান্ত পর্বে উঠে আসা দিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনার বেশ কঠিন গ্রুপে। প্রথম রাউন্ডে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নাইজেরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ২০০৪ ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন গ্রিস। ফলে দ্বিতীয় পর্বে ওঠার জন্য ম্যারাডোনাকে বেশ কঠিন অবস্থার সামাল দিতে হবে। তা ছাড়া এবারের গ্রুপিংয়ের দিকে তাকিয়ে অভিশপ্ত ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপের কথা মনে পড়ে যেতে পারে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের। সে যাত্রায় গ্রুপ পর্বে নাইজেরিয়া, গ্রিসকে পেয়েছিল তারা। গ্রিস ও নাইজেরিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ের পর ডোপ পরীক্ষায় বসতে হয়েছিল ম্যারাডোনাকে। ডোপ টেস্ট উত্রাতে ব্যর্থ হলে বুলগেরিয়ার কাছে হেরে শেষ হয়ে যায় ম্যারাডোনাবিহীন আর্জেন্টিনার ব্যর্থ বিশ্বকাপ মিশন। টানা সাতবার বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া এশিয়ান প্রতিনিধি দক্ষিণ কোরিয়ার শক্তিমত্তাকেও খাটো করে দেখার কারও সুযোগ নেই।
সহজ গ্রুপে স্পেন
এর আগে কখনোই বিশ্বকাপ শিরোপা জেতা সম্ভব হয়নি স্পেনের। কিন্তু না জিতলে কী হবে, তাদের শক্তিমত্তা নিয়ে এবার তেমন কোনো সন্দেহ নেই। তাই তো আগামী বিশ্বকাপে সম্ভাব্য ফেভারিটদের মধ্যে রয়েছে ইউরোপের এই শক্তিধর দলটির নাম। পাশাপাশি এবারের ফেভারিট স্পেন রয়েছে অনেকটা সহজ গ্রুপে। ইউরো জয়ী স্পেন খেলবে ‘এইচ’ গ্রুপে। ‘এইচ’ গ্রুপে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী সুইজারল্যান্ড, চিলি ও হন্ডুরাস। ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেন এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও সামনের আসরে প্রথম পর্ব তারা সহজেই পার হতে পারবে বলে মনে হয়।
ভাগ্যবান ইংল্যান্ড
টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ভাগ্যবান দল বলা হচ্ছে ইংল্যান্ডকে। ইংলিশদের প্রথম রাউন্ডের বাধা পেরুতে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবেন তারা শক্তিমত্তায় অনেক পিছিয়ে। তাই বিশ্লেষকরা খেলার আগেই দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট দিয়ে দিচ্ছেন ইংল্যান্ডকে। আর দেয়াটাই স্বাভাবিক, কেননা এবারের আসরের অন্যতম ফেভারিট ইংল্যান্ড সি গ্রুপে লড়বে যুক্তরাষ্ট্র, আলজেরিয়া ও স্লোভেনিয়া। প্রতিপক্ষ হিসেবে এই তিন দলকে তেমন বেশি কঠিন ভাবার কারণ নেই।
‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা
স্বাগতিক দল হিসেবে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাছাই পর্বের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে চূড়ান্ত পর্বে আর সে সুযোগ নেই। কিন্তু খেলেই এবার নিজেদের প্রমাণ করতে চাচ্ছে স্বাগতিকরা। তবে গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষকে দেখে অঘটনের স্বপ্ন দেখার আশা ছাড়তেই পারে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। এবারের বিশ্বকাপে কঠিন গ্রুপেই পড়েছে তারা। ‘এ’ গ্রুপে বাফানাদের সঙ্গে রয়েছে ফ্রান্স, উরুগুয়ে ও মেক্সিকো। ফ্রান্স সাবেক চ্যাম্পিয়ন, সেই সঙ্গে তাদের খেলোয়াড়রা অনেক অভিজ্ঞ। উরুগুয়েও সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবং ফুটবল বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দলের একটি। পিছিয়ে নেই মেক্সিকো, দল হিসেবে তারা অত্যন্ত ভালো।
জার্মানির গ্রুপে আন্ডারডগ অস্ট্রেলিয়া
তিনবারের বিশ্বকাপজয়ী জার্মানি রয়েছে এবার ‘ডি’ গ্রুপে। এই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ আফ্রিকান শক্তি ঘানা ও সার্বিয়ার সঙ্গে রয়েছে এশিয়ান শক্তি অস্ট্রেলিয়া। তাই গ্রুপপর্বে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে হবে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে হলে এসব বাধা পেরিয়ে তার পরই যেতে হবে বিধায় কাউকে সহজ হিসেবে নিচ্ছে না জার্মানি।
‘এফ’ গ্রুপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইতালি
বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইতালিও অনেকটা সহজ গ্রুপে পড়েছে। দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে তাদের তেমন বেশি কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে না। ফলে পরবর্তী রাউন্ডে উঠার পথ অনেকটা মসৃণ বলা যায়। গ্রুপে ‘এফ’ এ তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে প্যারাগুয়ে, নিউজিল্যান্ড ও স্লোভাকিয়া। ‘ই’ গ্রুপে ফেভারিট হল্যান্ড
দু’বারের বিশ্বকাপ জয়ী নেদারল্যান্ডসের এবার কোনো উচ্চাশা নেই। বড়জোর দ্বিতীয় রাউন্ড পর্যন্ত খেলাই তাদের টার্গেট। আপাতত এ কাজটা তাদের অনেক সহজ হবে বলে মনে হচ্ছে। কারণ তারা পড়েছে ‘ই’ গ্রুপে। এই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ এশিয়ান শক্তি জাপান, ক্যামেরুন ও ডেনমার্ক। বাছাই পর্বে সব ম্যাচ জয়ী নেদারল্যান্ডসকে এদের সঙ্গে জয় পেতে তেমন বেগ পেতে হবে বলে মনে হয় না। তবে সবকিছুর পরও টুর্নামেন্টার নাম বিশ্বকাপ। এখানে যে কেউ অঘটন ঘটাতে পারে, সেটা হলে ভিন্ন। নতুবা দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে তাদের তেমন কঠিন হওয়ার কথা নয়।


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


