তাপসের ওপর বোমা হামলা বজলুল স্লদার আরেক ভাতিজা হাবিব আটক
মেহেরপুর প্রতিনিধি
বঙ্গবন্ব্দু হত্যামামলায় ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি বজলুল স্লদার চাচাত ভাইয়ের ছেলে হাবিবুল আজিম হাবিবকে আটক করেছে পুলিশ। ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের ওপর বোমা হামলায় জড়িত থাকার সন্দেহে আটক হাবিবকে ৫৪(১) ধারায় চালান দিয়েছে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশ।
শনিবার
দিবাগত রাত ১টার দিকে মেহেরপুর সদর থানার ইনচার্জ মোঃ রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মেহেরপুর কাথুলী সড়কের বাসা থেকে বজলুল স্লদার চাচাত ভাইয়ের ছেলে হাবিবকে (৩৩) আটক করে।
এদিকে আটকের খবর শুনে স্থানীয় সাংবাদিকরা ছবি তোলার জন্য থানায় গেলেও মামলায় আটক না দেখানো পর্যন্ত তার ছবি না তোলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। কী কারণে তাকে আটক করা হযেছে সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে মুখ খুলছেন না পুলিশ কর্মকর্তারা।
মেহেরপুর সদর থানার ইনচার্জ মোঃ রবিউল ইসলাম মোবাইলে জানান, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের ওপর বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা আছে সন্দেহে তাকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া আটক হাবিব স্লদা পরিবারের সন্তান এ কারণেও কিছু তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য গভীর রাতে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আটকের বিষয়কে কেন্দ্র করে গতকাল সকাল থেকেই পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে অনির্ধারিত বৈঠক চলে। বৈঠক শেষে ৫৪ ধারায় চালান দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
অন্যদিকে আটক হাবিবের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, হাবিব নিরীহ ছেলে। তার বিরুদ্ধে কোথাও কোনো অভিযোগ নেই। সে দীর্ঘদিন বিদেশ জীবনযাপন শেষে দেশে ফিরে মাছের ব্যবসা শুরু করেছে। তার কোনো ধরনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাও নেই।
শনিবার
দিবাগত রাত ১টার দিকে মেহেরপুর সদর থানার ইনচার্জ মোঃ রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মেহেরপুর কাথুলী সড়কের বাসা থেকে বজলুল স্লদার চাচাত ভাইয়ের ছেলে হাবিবকে (৩৩) আটক করে।
এদিকে আটকের খবর শুনে স্থানীয় সাংবাদিকরা ছবি তোলার জন্য থানায় গেলেও মামলায় আটক না দেখানো পর্যন্ত তার ছবি না তোলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। কী কারণে তাকে আটক করা হযেছে সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে মুখ খুলছেন না পুলিশ কর্মকর্তারা।
মেহেরপুর সদর থানার ইনচার্জ মোঃ রবিউল ইসলাম মোবাইলে জানান, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের ওপর বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা আছে সন্দেহে তাকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া আটক হাবিব স্লদা পরিবারের সন্তান এ কারণেও কিছু তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য গভীর রাতে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আটকের বিষয়কে কেন্দ্র করে গতকাল সকাল থেকেই পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে অনির্ধারিত বৈঠক চলে। বৈঠক শেষে ৫৪ ধারায় চালান দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
অন্যদিকে আটক হাবিবের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, হাবিব নিরীহ ছেলে। তার বিরুদ্ধে কোথাও কোনো অভিযোগ নেই। সে দীর্ঘদিন বিদেশ জীবনযাপন শেষে দেশে ফিরে মাছের ব্যবসা শুরু করেছে। তার কোনো ধরনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাও নেই।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


