Amardesh
আজঃ ঢাকা, সোমবার ৯ নভেম্বর ২০০৯, ২৫ কার্তিক ১৪১৬, ২০ জিলকদ ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 জব সার্চ
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 বিশেষ বিভাগ
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

যুদ্ধাপরাধ বিচারের আন্দোলনে সরকার বিব্রত : আইন প্রতিমন্ত্রী

সল্টাফ রিপোর্টার
যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে আন্দোলনরতদের উদ্দেশে আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার সরকারের একটি অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। এ বিষয়ে সরকার এর মধ্যেই বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করেছে। এরপরও কেউ কেউ যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়ে আন্দোলন করছেন, তাদের এ আন্দোলন সরকারকে বিব্রত করছে। তাদের আন্দোলন যাতে সরকারকে বেকায়দায় না ফেলে এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের সহায়ক না হয়, সেদিকটাও খেয়াল রাখা উচিত। কেননা যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবি করা সহজ। কিন্তু বিচার করাটা খুবই কঠিন কাজ। গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান বলেছেন, বঙ্গবন্ব্দু হত্যা মামলা ও জেলহত্যা মামলাসহ সরকারের সামনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু রয়েছে
। এর পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী দু’মাসের মধ্যে অন্যান্য প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত করা হবে। এ অবস্থায় যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে বেশি চাপাচাপি করা উচিত হবে না। সবাইকেই মনে রাখতে হবে, লেবু বেশি চিপলে তিতা হয়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে আইন প্রতিমন্ত্রী ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
উল্লেখ্য, যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে আইন মন্ত্রণালয় সচিবালয়ের কাছাকাছি ১৪ আবদুল গনি রোডের প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল ভবনটি চেয়ে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়। আইন মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠির জবাবে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ওই ভবনটি আইন মন্ত্রণালয়কে দিতে সম্মত হয় এবং আবদুল গনি রোডের ওই ভবনের আদালতসহ অন্যান্য সরকারি অফিস কারওয়ান বাজারে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ ও তার স্ত্রী রওশন এরশাদের তৈরি করা জনতা টাওয়ারে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়। গতকাল দুই প্রতিমন্ত্রী ও উভয় মন্ত্রণালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একত্রে জনতা টাওয়ার ও আবদুল গনি রোডের প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল ভবন পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে আপিল ট্রাইব্যুনাল ভবনে এক যৌথ ব্রিফিংয়ে আবদুল মান্নান খান সাংবাদিকদের বলেন, আইন মন্ত্রণালয় আমাদের কাছে এই ভবনটি চেয়েছে। এ ভবনের অফিসগুলো জনতা টাওয়ারে নিয়ে এটি খালি করে আমরা আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে তুলে দেব। আনুমানিক দুই মাসের মধ্যে এটি সম্ভব হবে বলে তিনি জানান। আবদুল গনি রোডে আদালত স্থাপনের বিষয়ে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিসহ যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে আন্দোলনকারী সংগঠনগুলোর প্রবল আপত্তি থাকা সত্ত্বেও সরকার কেন এ জায়গাটিকে বেছে নিয়েছে? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা পুরনো হাইকোর্ট ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা বিবেচনায় এনে দেখেছি। সবদিক বিবেচনায় এই ভবনটিই উপযোগী বলে সরকারের কাছে মনে হয়েছে।
যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করতে আর কতদিন লাগবে? এ প্রশ্নের জবাবে আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, কোনো সময়সীমা বেঁধে দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করা যাবে না। এ বিষয়ে সরকারের শতভাগ আন্তরিকতা রয়েছে। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও আমরা এ বিচার করার অঙ্গীকার করেছি। এর মধ্যেই সরকার বিভিন্ন প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এরপরও যারা অতিউত্সাহী হয়ে আন্দোলন করার কথা বলছেন, তাদের এ আন্দোলন হয়তো সরকারবিরোধী তত্পরতাকে উস্কে দেবে।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?