মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি : ৫৫ জনের বয়স একাত্তরে ছিল ১০ বছরের নিচে
কাদের গনি চৌধুরী
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে সম্প্রতি চাকরি পাওয়া ১২৫ জন কর্মকর্তার মধ্যে ৫৫ জনেরই মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বয়স ছিল ১০ বছরের নিচে। এদের মধ্যে ২ জনের বয়স ছিল ৫ বছর, ৯ জনের ৬ বছর, ১৬ জনের ৭ বছর, ১১ জনের ৮ বছর এবং ১৫ জনের ৯ বছর। এছাড়া ১০ বছর বয়সী ৯ জনও মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী দাবি করে প্রথম শ্রেণীর সাব-রেজিসল্ট্রার পদে নিয়োগ বাগিয়ে নিয়েছেন। ৫ বছর বয়সী শিশু কি করে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী ছিল এবং ওই দাবি মেনে নিয়ে সরকার কি করে তাদের চাকরি পাইয়ে
দিল—এটি নিয়ে গত ক’দিন ধরে সচিবালয়ে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে ১ নভেম্বর বরগুনার পাথরঘাটায় সাব-রেজিসল্ট্রার পদে নিয়োগ ও পদায়ন করা হয় স্বপন কুমার দেকে। আবেদনপত্র ও সার্টিফিকেটে তার জন্মতারিখ উল্লেখ রয়েছে ১৮ এপ্রিল ১৯৬৬। একইভাবে মাদারীপুরের আবুল হোসেন তার জন্মতারিখ উল্লেখ করেছেন ১১ নভেম্বর ১৯৬৬। তাকে মাগুরার শালিখায় সাব-রেজিসল্ট্রার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ জন্মতারিখ অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আবুল হোসেনের বয়স ছিল ৪ বছর ৪ মাস ১৪ দিন। ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণকারী তত্কালীন যেসব ৬ বছরের শিশুকে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী দেখিয়ে চাকরি দেয়া হয়েছে তারা হলেন— গোপালগঞ্জের নাজমা সুলতানা বাবলী (১২-০৪-৬৫), নীলফামারীর মিজানুর রহমান (২৫-১১-৬৫), বগুড়ার শফি হাসান (৩১-১২-৬৫), লালমনিরহাটের আবু তাহের মোঃ মোস্তফা (১৯-০৮-৬৫), বরিশালের ওমর ফারুক (১৫-০৬-৬৫), রফিকুল ইসলাম (০২-১২-৬৫), ইউসুফ আলী মিয়া (২৮-০১-৬৫) এবং ঝালকাঠির অসীম কল্লোল (১৩-০৮-৬৫)। ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে যারা চাকরি পেলেন তারা হলেন— টাঙ্গাইলের খন্দকার নুরুল আমিন (১৮-০৮-৬৪), আজহার আলী খান (১১-০৩-৬৪), নুরুল আমিন তালুকদার (১২-২২-৬৪), মনিরুজ্জামান (০১-০১-৬৪), জাহিদুল ইসলাম (০১-০৫-৬৪), কুমিল্লার নুর উদ্দিন মিয়া (০১-০৭-৬৪), রংপুরের আবদুর রশিদ মণ্ডল (১৬-০৭-৬৪), বগুড়ার শহিদুল ইসলাম (০১-১০-৬৪), কুড়িগ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (২১-১১-৬৪), শিরীন চৌধুরী (০২-০৪-৬৪), আশরাফ আলী (০৪-০৩-৬৪), আবু বকর সিদ্দিক (০৩-০১-৬৪), নূর মোহাম্মদ শাহ (২৭-০২-৬৪), বরিশালের রফিকুল ইসলাম (১৫-০৬-৬৪) এবং ভোলার একেএম ফয়েজ উল্লাহ (১২-১২-৬৪)।
১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা চাকরি পেয়েছেন তারা হলেন—গোপালগঞ্জের নুরুল হক মিয়া (১৩-০৯-৬৩), ফেনীর অসীম কুমার বণিক (০৫-০৩-৬৩), রংপুরের আবদুর রশিদ (৩০-০৬-৬৩), কুড়িগ্রামের আমজাদ হোসেন (২২-০১-৬৩), সুধীর কুমার সরকার (১৪-১০-৬৩), দেলোয়ার হোসেন খন্দকার (০৪-০৭-৬৩), বরিশালের ফারুক হোসেন (০৩-০২-৬৩), মু. শাহাদাত্ হোসেন (১১-০১-৬৩), মোসা. রেহেনা বেগম (১৫-১১-৬৩) এবং পিরোজপুরের বিজয় কৃষ্ণ বসু (২৯-০৯-৬৩)।
১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেও মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি পেয়েছেন ঢাকার পরিতোষ কুমার দাস (০২-০১-৬২), টাঙ্গাইলের আমিনুর রহমান (০১-০১-৬২), কুমিল্লার শাহ আলম (০১-০১-৬২), নোয়াখালীর চাটখিলের মোসারফ হোসেন চৌধুরী (১৪-১০-৬২), কুড়িগ্রামের এছাহাক আলী মণ্ডল (১৪-০৪-৬২), মোঃ রজব আলী (১১-১১-৬২), প্রফুল্ল কুমার বর্মণ (১৪-০৯-৬২), প্রফুল্ল চন্দ্র মণ্ডল (২০-০৯-৬২), আশরাফুল ইসলাম (১৬-০৩-৬২), শামসুল আলম (২৮-০৩-৬২), ইসমাইল হোসেন (২৩-০৮-৬২), খুলনার রফিকুল আলম (০৭-০১-৬২), শাহজান আলী (২৫-০২-৬২), নড়াইলের নমির্তা রানি বিশ্বাস (২৩-১০-৬২), বরিশালের আবদুল হান্নান (০৩-০১-৬২) ও ঝালকাঠির কানিজ ফাতেমা (২৬-০৯-৬২)।
মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে সে সময়কার শিশুদেরই শুধু চাকরি দেয়া হয়নি, এমন ৩ জনকে চাকরি দেয়া হয়েছে যাদের চাকরি করার সুযোগ রয়েছে সাড়ে ৩ মাস থেকে ১ বছর। এমন একজন পটুয়াখালীর বাউফল থানার মৃত আবদুল আজিজ শিকদারের ছেলে জস্লরুল ইসলাম। তিনি ১৯৫৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার বর্তমান বয়স (১ নভেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত) ৫৬ বছর ৮ মাস ৬ দিন। সরকারি চাকরির বয়সসীমা (৫৭ বছর) অনুযায়ী তিনি মাত্র সাড়ে ৩ মাস চাকরি করার সুযোগ পাবেন। ঢাকার ধামরাইয়ের জাহাঙ্গীর আলম জন্মগ্রহণ করেছেন ২৫ নভেম্বর ১৯৫৩ সালে। এ জন্মতারিখ হিসাবে তিনি ১ বছর ২৪ দিন চাকরি করার সুযোগ পাবেন। টাঙ্গাইলের আবুল হোসেন তার আবেদনপত্রে জন্মতারিখ উল্লেখ করেছেন ১৯৫৩ সালের ১ আগসল্ট। সে অনুযায়ী তিনি চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন মাত্র ৯ মাস।
১ নভেম্বর যে ১২৪ জনকে সাব-রেজিসল্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৮ জন কুড়িগ্রামের, ১৩ জন বরিশালের, ১২ জন টাঙ্গাইলের, ৮ জন রংপুরের, ৭ জন কুড়িগ্রামের, ৫ জন ঢাকার, ৪ জন করে গোপালগঞ্জ, নোয়াখালী, বগুড়া ও বরগুনার, ৩ জন করে গাজীপুর, কুমিল্লা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরের, ২ জন করে নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, ফেনী, রাজশাহী, নীলফামারী, লালমনিরহাট, খুলনা, যশোর, পটুয়াখালী ও ভোলার। মুন্সীগঞ্জ, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নড়াইল ও মাগুরা জেলার একজন করে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি পেয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন সচিব আমার দেশকে বলেন, ৫ বছরের শিশুকে কর্মচারী দেখিয়ে চাকরি দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। সরকার কোনো শিশুকে চাকরি দিয়ে থাকলে শিশুশ্রম আইন অনুযায়ী অপরাধ করেছে।
দিল—এটি নিয়ে গত ক’দিন ধরে সচিবালয়ে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে ১ নভেম্বর বরগুনার পাথরঘাটায় সাব-রেজিসল্ট্রার পদে নিয়োগ ও পদায়ন করা হয় স্বপন কুমার দেকে। আবেদনপত্র ও সার্টিফিকেটে তার জন্মতারিখ উল্লেখ রয়েছে ১৮ এপ্রিল ১৯৬৬। একইভাবে মাদারীপুরের আবুল হোসেন তার জন্মতারিখ উল্লেখ করেছেন ১১ নভেম্বর ১৯৬৬। তাকে মাগুরার শালিখায় সাব-রেজিসল্ট্রার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ জন্মতারিখ অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আবুল হোসেনের বয়স ছিল ৪ বছর ৪ মাস ১৪ দিন। ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণকারী তত্কালীন যেসব ৬ বছরের শিশুকে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী দেখিয়ে চাকরি দেয়া হয়েছে তারা হলেন— গোপালগঞ্জের নাজমা সুলতানা বাবলী (১২-০৪-৬৫), নীলফামারীর মিজানুর রহমান (২৫-১১-৬৫), বগুড়ার শফি হাসান (৩১-১২-৬৫), লালমনিরহাটের আবু তাহের মোঃ মোস্তফা (১৯-০৮-৬৫), বরিশালের ওমর ফারুক (১৫-০৬-৬৫), রফিকুল ইসলাম (০২-১২-৬৫), ইউসুফ আলী মিয়া (২৮-০১-৬৫) এবং ঝালকাঠির অসীম কল্লোল (১৩-০৮-৬৫)। ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে যারা চাকরি পেলেন তারা হলেন— টাঙ্গাইলের খন্দকার নুরুল আমিন (১৮-০৮-৬৪), আজহার আলী খান (১১-০৩-৬৪), নুরুল আমিন তালুকদার (১২-২২-৬৪), মনিরুজ্জামান (০১-০১-৬৪), জাহিদুল ইসলাম (০১-০৫-৬৪), কুমিল্লার নুর উদ্দিন মিয়া (০১-০৭-৬৪), রংপুরের আবদুর রশিদ মণ্ডল (১৬-০৭-৬৪), বগুড়ার শহিদুল ইসলাম (০১-১০-৬৪), কুড়িগ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (২১-১১-৬৪), শিরীন চৌধুরী (০২-০৪-৬৪), আশরাফ আলী (০৪-০৩-৬৪), আবু বকর সিদ্দিক (০৩-০১-৬৪), নূর মোহাম্মদ শাহ (২৭-০২-৬৪), বরিশালের রফিকুল ইসলাম (১৫-০৬-৬৪) এবং ভোলার একেএম ফয়েজ উল্লাহ (১২-১২-৬৪)।
১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা চাকরি পেয়েছেন তারা হলেন—গোপালগঞ্জের নুরুল হক মিয়া (১৩-০৯-৬৩), ফেনীর অসীম কুমার বণিক (০৫-০৩-৬৩), রংপুরের আবদুর রশিদ (৩০-০৬-৬৩), কুড়িগ্রামের আমজাদ হোসেন (২২-০১-৬৩), সুধীর কুমার সরকার (১৪-১০-৬৩), দেলোয়ার হোসেন খন্দকার (০৪-০৭-৬৩), বরিশালের ফারুক হোসেন (০৩-০২-৬৩), মু. শাহাদাত্ হোসেন (১১-০১-৬৩), মোসা. রেহেনা বেগম (১৫-১১-৬৩) এবং পিরোজপুরের বিজয় কৃষ্ণ বসু (২৯-০৯-৬৩)।
১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেও মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি পেয়েছেন ঢাকার পরিতোষ কুমার দাস (০২-০১-৬২), টাঙ্গাইলের আমিনুর রহমান (০১-০১-৬২), কুমিল্লার শাহ আলম (০১-০১-৬২), নোয়াখালীর চাটখিলের মোসারফ হোসেন চৌধুরী (১৪-১০-৬২), কুড়িগ্রামের এছাহাক আলী মণ্ডল (১৪-০৪-৬২), মোঃ রজব আলী (১১-১১-৬২), প্রফুল্ল কুমার বর্মণ (১৪-০৯-৬২), প্রফুল্ল চন্দ্র মণ্ডল (২০-০৯-৬২), আশরাফুল ইসলাম (১৬-০৩-৬২), শামসুল আলম (২৮-০৩-৬২), ইসমাইল হোসেন (২৩-০৮-৬২), খুলনার রফিকুল আলম (০৭-০১-৬২), শাহজান আলী (২৫-০২-৬২), নড়াইলের নমির্তা রানি বিশ্বাস (২৩-১০-৬২), বরিশালের আবদুল হান্নান (০৩-০১-৬২) ও ঝালকাঠির কানিজ ফাতেমা (২৬-০৯-৬২)।
মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে সে সময়কার শিশুদেরই শুধু চাকরি দেয়া হয়নি, এমন ৩ জনকে চাকরি দেয়া হয়েছে যাদের চাকরি করার সুযোগ রয়েছে সাড়ে ৩ মাস থেকে ১ বছর। এমন একজন পটুয়াখালীর বাউফল থানার মৃত আবদুল আজিজ শিকদারের ছেলে জস্লরুল ইসলাম। তিনি ১৯৫৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার বর্তমান বয়স (১ নভেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত) ৫৬ বছর ৮ মাস ৬ দিন। সরকারি চাকরির বয়সসীমা (৫৭ বছর) অনুযায়ী তিনি মাত্র সাড়ে ৩ মাস চাকরি করার সুযোগ পাবেন। ঢাকার ধামরাইয়ের জাহাঙ্গীর আলম জন্মগ্রহণ করেছেন ২৫ নভেম্বর ১৯৫৩ সালে। এ জন্মতারিখ হিসাবে তিনি ১ বছর ২৪ দিন চাকরি করার সুযোগ পাবেন। টাঙ্গাইলের আবুল হোসেন তার আবেদনপত্রে জন্মতারিখ উল্লেখ করেছেন ১৯৫৩ সালের ১ আগসল্ট। সে অনুযায়ী তিনি চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন মাত্র ৯ মাস।
১ নভেম্বর যে ১২৪ জনকে সাব-রেজিসল্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৮ জন কুড়িগ্রামের, ১৩ জন বরিশালের, ১২ জন টাঙ্গাইলের, ৮ জন রংপুরের, ৭ জন কুড়িগ্রামের, ৫ জন ঢাকার, ৪ জন করে গোপালগঞ্জ, নোয়াখালী, বগুড়া ও বরগুনার, ৩ জন করে গাজীপুর, কুমিল্লা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরের, ২ জন করে নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, ফেনী, রাজশাহী, নীলফামারী, লালমনিরহাট, খুলনা, যশোর, পটুয়াখালী ও ভোলার। মুন্সীগঞ্জ, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নড়াইল ও মাগুরা জেলার একজন করে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি পেয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন সচিব আমার দেশকে বলেন, ৫ বছরের শিশুকে কর্মচারী দেখিয়ে চাকরি দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। সরকার কোনো শিশুকে চাকরি দিয়ে থাকলে শিশুশ্রম আইন অনুযায়ী অপরাধ করেছে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

